এশিয়ান গেমস সামনে রেখে চলমান জাতীয় হকি দলের ক্যাম্পে যোগ দিচ্ছেন আরো ছয় খেলোয়াড়। এদের মধ্যে রয়েছেন রাসেল মাহমুদ জিমি, আবু সাঈদ নিপ্পণ, নাইম উদ্দিন, মো. শিশির, পুস্কর খীসা মিমো এবং শহিদুল হক সৈকত। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায় যে, জরুরি এক সভায় নতুন নির্বাচক কমিটির সদস্যরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই এই ছয় খেলোয়াড় মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন। এখান থেকে বাংলাদেশ হকি দলের নতুন কোচ পিটার গেরহার্ড চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন।
হকি ফেডারেশনের নির্বাচক কমিটির সদস্য আরিফুল হক প্রিন্স এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলাম জাতীয় দলে আর বৈষম্য ও অনিয়ম হবে না। এখানে দ্রুতই বিদেশি কোচিং স্টাফ দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। তাছাড়া গত এক-দেড় বছরে যারা ভালো পারফরম্যান্স করার পরও জাতীয় দলের ক্যাম্পে সুযোগ পাননি, তাদের মধ্য থেকে ছয় খেলোয়াড়কে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার জন্য আমরা আহ্বান করছি। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আমরা তাদের দলে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন কর্তাদের প্রত্যাশা, সিনিয়র ও জুনিয়র খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে এশিয়ান গেমসে একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করবে।
দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া রাসেল মাহমুদ জিমি বর্তমানে হকি ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সদস্য। ফেডারেশনের কর্মকর্তা হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়ায় তিনি বলেন, ‘এখনো জানি না জাতীয় দলের জার্সি আবার পরতে পারব কি না। কারণ, বিদেশি কোচ আসছেন, তার কাছে প্রমাণ দিতে পারলেই হয়তো স্বপ্নটা পূরণ হবে। আমি এতটুকু বলতে পারি, নিজেকে প্রমাণ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টাই করব।’ গত এশিয়ান গেমসে কোরিয়ান কোচের কাছে ফিটনেসের প্রমাণ দিয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন জিমি। এবারও ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা খেলোয়াড়কে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায় কিনা, তা দেখার বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 




















