ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নাটকীয় মোড় নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হুমকির পর রোববার রাতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এর আগে শনিবার গভীর রাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে। মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটকের পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় সামরিক অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ২০১১ সালে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানগুলোর মধ্যে একটি।
মাদুরোকে আটকের পর রোববার রাতে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন ডেলসি রদ্রিগেজ। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানান, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন ও সম্মানজনক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করি।’
তবে, এর আগে শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে রদ্রিগেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী একটি ‘নৃশংসতা’ হিসেবে কঠোর নিন্দা জানিয়েছিলেন। সেসময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট হলেন নিকোলাস মাদুরো।’ ট্রাম্প প্রশাসনকে তিনি ‘চরমপন্থীদের একটি দল’ হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
রদ্রিগেজের এই কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় রোববার ‘দ্য আটলান্টিক’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রদ্রিগেজ যদি ‘সঠিক কাজ’ না করেন, তবে তাকে চরম মূল্য দিতে হবে, যা সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বেশি।
ট্রাম্পের এই হুমকির পরই ডেলসি রদ্রিগেজ তার পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে এসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তা দিলেন, যা ভেনেজুয়েলার বর্তমান সংকটে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে।
রিপোর্টারের নাম 






















