বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্ষিক আয় পৌনে সাত লাখ টাকার বেশি। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে নির্বাচনি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তিনি বছরে এই আয় দেখিয়েছেন।
হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের এ আয় এসেছে শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংক আমানত থেকে। ওই অর্থবছরে তার ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৪৫৩ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমানের হাতে নগদ অর্থ ও ব্যাংক আমানত রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। তার স্ত্রী জোবাইদা রহমানের নামে রয়েছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা।
সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, তার শেয়ার রয়েছে ৫ লাখ টাকার এবং কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ৪৫ লাখ টাকার। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ (বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয়) রয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত ও ডাক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের মধ্যে সঞ্চয়ী আমানতে রয়েছে ২০ হাজার টাকা, এফডিআরে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং অন্যান্য আমানত রয়েছে এক লাখ টাকা।
তার স্ত্রীর নামে সঞ্চয়ী আমানত রয়েছে ১৫ হাজার ২৬০ টাকা এবং এফডিআরে রয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের স্বর্ণ ও অন্যান্য ধাতু এবং পাথরে তৈরি গহনার মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা। অকৃষি জমি রয়েছে ২ দশমিক ০১ একর ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ, যার অর্জনকালীন মূল্য তিন লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়া উপহারে পাওয়া ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমিসহ একটি ভবনের মূল্য উল্লেখ করা হয়নি।
তার স্ত্রীর নামে ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি রয়েছে যৌথ মালিকানায় এবং ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবনও যৌথ মালিকানায় রয়েছে, যার মূল্য হলফনামায় উল্লেখ নেই।
হলফনামায় আরও বলা হয়, জোবাইদা রহমানের ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।
তারেক রহমান হলফনামায় তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে গুলশান এভিনিউয়ের একটি বাসার ঠিকানা উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া তার নামে থাকা ৭৭টি মামলার মধ্যে ৫৪টিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। ১২টি মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন, ৮টি মামলা খারিজ হয়েছে এবং তিনটি মামলা বাদীরা প্রত্যাহার করেছেন। খালাস পাওয়া মামলাগুলোর মধ্যে ২২টিতে তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর খালাস পান।
রিপোর্টারের নাম 






















