ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বেশি দামে এলপিজি বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। সংগঠনটি বলছে, কিছু অসাধু বিক্রেতার কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। 

রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে লোয়াবের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আহসানুল জব্বারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক শেষে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংগঠনটি। 

বিজ্ঞপ্তিতে লোয়াব জানায়, শীতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি এবং ইউরোপে জ্বালানি চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আমদানিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে দেশে এলপিজির মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক। এছাড়া আমদানি পর্যায়ে কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা বা ‘সিলিং’ থাকবে না বলেও সভায় জানানো হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। 

লোয়াব উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে, কিছু খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রি করছেন। এ প্রেক্ষিতে সংগঠনটি জানায়, “ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। আমরা অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।” 

এদিকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ধরতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, কঠোর তদারকির মাধ্যমে দ্রুতই এলপিজির বাজার ও মূল্য স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, আজই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১২৫৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐতিহাসিক সূচনা : তিন দেশের যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ

বেশি দামে এলপিজি বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। সংগঠনটি বলছে, কিছু অসাধু বিক্রেতার কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। 

রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে লোয়াবের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আহসানুল জব্বারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক শেষে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংগঠনটি। 

বিজ্ঞপ্তিতে লোয়াব জানায়, শীতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি এবং ইউরোপে জ্বালানি চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আমদানিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে দেশে এলপিজির মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক। এছাড়া আমদানি পর্যায়ে কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা বা ‘সিলিং’ থাকবে না বলেও সভায় জানানো হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। 

লোয়াব উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে, কিছু খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রি করছেন। এ প্রেক্ষিতে সংগঠনটি জানায়, “ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। আমরা অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।” 

এদিকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ধরতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, কঠোর তদারকির মাধ্যমে দ্রুতই এলপিজির বাজার ও মূল্য স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, আজই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১২৫৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে।