ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

রাষ্ট্রে শোক চলছে, ঢাকায় ফুটছে পটকা-আতশবাজি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে শোক। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজধানীজুড়ে পটকা-আতশবাজি ফোটানো হচ্ছে। বিশেষ করে পুরান ঢাকায় বেশি মাত্রায় দেখা যাচ্ছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১১টা থেকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে শুরু হয় পটকা-বাজি ফোটানো।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে (ইংরেজি ক্যালেন্ডারের সময় অনুযায়ী ১ জানুয়ারি প্রথম প্রহরে) রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় আতশবাজি ও পটকা ফাটানোর বিকট আওয়াজ পাওয়া যায়।

রাত ১১টা থেকে পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার, কোর্ট কাচারি, রাজার দেউরী, শাঁখারী বাজাররের বিভিন্ন ছাদ থেকে বিকট শব্দের পটকা-বাজির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এখনও অনবরত  চলছে।

রাস্তায় চলাচলকারী কয়েকজন পথচারী জানান, রাষ্ট্রের একটা শোক দিবস চলছে, কিন্তু এত অসভ্য মানুষ। বিশেষ করে পুরান ঢাকার মানুষ খুবই অসভ্য। তারা দুনিয়া উল্টে গেলেও নিজেদের পটকা-বাজির রেওয়াজ ঠিক রাখবে। প্রশাসন কী করে বুঝি না।

কয়েকজন জানান, এ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর উপলক্ষে ভাবছিলাম এসব বাজি বন্ধ থাকবে। কিন্তু কই? শুরু হয়ে গেলো তো।

প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে পটকা-আতশবাজি ফোটানোতে থাকে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা। তবে এবার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

কিন্তু পুলিশের সব নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে বরাবরের মতো এবারও নতুন বছরকে উদযাপনে ছিল এসব কর্মকাণ্ড। 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আতশবাজির ঝলকে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। এর সঙ্গে রয়েছে পটকার শব্দ। পটকার শব্দে কেঁপে উঠছে পুরো শহর।

থার্টি ফার্স্ট নাইটের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না।

এ ছাড়া, উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনও কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেয় ডিএমপি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রে শোক চলছে, ঢাকায় ফুটছে পটকা-আতশবাজি

আপডেট সময় : ০১:১১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে শোক। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজধানীজুড়ে পটকা-আতশবাজি ফোটানো হচ্ছে। বিশেষ করে পুরান ঢাকায় বেশি মাত্রায় দেখা যাচ্ছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১১টা থেকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে শুরু হয় পটকা-বাজি ফোটানো।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে (ইংরেজি ক্যালেন্ডারের সময় অনুযায়ী ১ জানুয়ারি প্রথম প্রহরে) রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় আতশবাজি ও পটকা ফাটানোর বিকট আওয়াজ পাওয়া যায়।

রাত ১১টা থেকে পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার, কোর্ট কাচারি, রাজার দেউরী, শাঁখারী বাজাররের বিভিন্ন ছাদ থেকে বিকট শব্দের পটকা-বাজির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এখনও অনবরত  চলছে।

রাস্তায় চলাচলকারী কয়েকজন পথচারী জানান, রাষ্ট্রের একটা শোক দিবস চলছে, কিন্তু এত অসভ্য মানুষ। বিশেষ করে পুরান ঢাকার মানুষ খুবই অসভ্য। তারা দুনিয়া উল্টে গেলেও নিজেদের পটকা-বাজির রেওয়াজ ঠিক রাখবে। প্রশাসন কী করে বুঝি না।

কয়েকজন জানান, এ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর উপলক্ষে ভাবছিলাম এসব বাজি বন্ধ থাকবে। কিন্তু কই? শুরু হয়ে গেলো তো।

প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে পটকা-আতশবাজি ফোটানোতে থাকে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা। তবে এবার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

কিন্তু পুলিশের সব নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে বরাবরের মতো এবারও নতুন বছরকে উদযাপনে ছিল এসব কর্মকাণ্ড। 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আতশবাজির ঝলকে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। এর সঙ্গে রয়েছে পটকার শব্দ। পটকার শব্দে কেঁপে উঠছে পুরো শহর।

থার্টি ফার্স্ট নাইটের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না।

এ ছাড়া, উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনও কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেয় ডিএমপি।