আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় পার্টি (জাপা), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) মোট ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩৩১টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জমা দিয়েছেন ৪৭৮টি মনোনয়নপত্র, যা ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, বড় দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ২৭৬টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮টি এবং জাতীয় পার্টি (জাপা) ২২৪টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এছাড়া নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আলোচিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৪৪টি এবং গণ অধিকার পরিষদ ১০৪টি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। অন্যান্য দলের মধ্যে এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ৯৪টি এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ৬৫টি আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। তবে নিবন্ধিত ৫৯টি দলের মধ্যে আটটি দল এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়নি, যার মধ্যে রয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের মতো দলগুলো। এছাড়া আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি এই নির্বাচনের বাইরে রয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকছে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পরদিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং পরদিন থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত প্রচার চালিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি কাঙ্ক্ষিত ভোট গ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এই জাতীয় নির্বাচন।
রিপোর্টারের নাম 




















