**
আসন্ন নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন নিয়ে শেষ মুহূর্তে নাটকীয় মোড় নিয়েছে। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্নাকে আসনটি ছাড় দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত থাকলেও, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতা দূর হওয়ার পরই সেখানে নতুন করে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম। এই ঘটনায় বগুড়া-২ আসনটিতে এখন চরম ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল হিসেবে পূর্বে বিএনপি বগুড়া-২ আসনটি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্নার জন্য বরাদ্দ রেখেছিল। কিন্তু ঋণখেলাপি হওয়ায় তার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রথম থেকেই বড় ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
আজ (নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকায় ‘আজ’ শব্দটি ব্যবহার করা হলো) সকালে এই জটিলতা নিরসন হয়। ঢাকার চেম্বার আদালত ঋণ খেলাপি তালিকা থেকে মাহামুদুর রহমান মান্নার নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে আদালত তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়। মান্নার জটিলতা কেটে যাওয়ার পরপরই আসনটিতে বিএনপির পক্ষ থেকে নতুন মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম আজ নিশ্চিত করেছেন যে, দলের পক্ষ থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আজ দলের পক্ষ থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আজ বিকেল ৩টায় আমি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়ন দাখিল করব।”
এদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “মীর শাহে আলমকে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে ওই আসনে মাহামুদুর রহমান মান্নাকে আসন ছাড়ার কথা ছিল। এখন যেহেতু দুটি ঘটনাই ঘটেছে, তাই দল (কেন্দ্রীয় কমিটি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।” মান্না জটিলতা থেকে মুক্ত হওয়ায় এবং একইসঙ্গে বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায়, শেষ পর্যন্ত কে এই আসনে দলের প্রতীক নিয়ে লড়বেন, তা নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর।
রিপোর্টারের নাম 
























