ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

‘আমি ক্ষমা প্রার্থী’, দল বদলের বিষয়ে রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাশেদ খান। বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। তবে দল বদল করায় নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বরাবর পদত্যাগ পত্রে রাশেদ উল্লেখ করেন সালাম ও শুভেচ্ছা নেবেন। রাজপথে আপনার সহযোদ্ধা হিসেবে ২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে দীর্ঘ সময় আন্দোলন সংগ্রাম ও রাজনীতি করেছি। এই পথচলায় আপনিসহ আপনার সহযোদ্ধাদের কেউ আমার আচরণে বা বক্তব্যে কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

নূরকে উদ্দেশ করে রাশেদ আরও লেখেন, দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়ে আপনার সম্মতি পাওয়ায় আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যেখানেই থাকি আমাদের সম্পর্ক থাকবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে অটুট। আমি আপনার কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চাই। ব্যক্তিগত কারণে আজ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আপনার ও দলের প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছি। 

এর আগে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানকে নির্বাচন করতে বিএনপিতে যোগ দিতে অনুমোদন দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচনি কৌশলের অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন রাশেদ।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর। 

তিনি বলেছিলেন, যেহেতু আন্দোলন বিএনপির নেতৃত্বে ও তাদের সামগ্রিক সমন্বয়ের মাধ্যমে হয়েছে, আমরা আগামী দিনেও একসঙ্গে থাকতে চাই। বর্তমান আরপিও’র বিধান অনুযায়ী জোট করলেও ভোট করতে হবে নিজেদের প্রতীকের মাধ্যমে। তবে স্বাভাবিকভাবে সব এলাকায় সব মার্কা নিয়ে জয়লাভ করা সম্ভব না। তাই এ সিদ্ধান্ত। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি মজুত নিয়ে সুখবর: প্রতিমন্ত্রী জানালেন দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ

‘আমি ক্ষমা প্রার্থী’, দল বদলের বিষয়ে রাশেদ খান

আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাশেদ খান। বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। তবে দল বদল করায় নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বরাবর পদত্যাগ পত্রে রাশেদ উল্লেখ করেন সালাম ও শুভেচ্ছা নেবেন। রাজপথে আপনার সহযোদ্ধা হিসেবে ২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে দীর্ঘ সময় আন্দোলন সংগ্রাম ও রাজনীতি করেছি। এই পথচলায় আপনিসহ আপনার সহযোদ্ধাদের কেউ আমার আচরণে বা বক্তব্যে কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

নূরকে উদ্দেশ করে রাশেদ আরও লেখেন, দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়ে আপনার সম্মতি পাওয়ায় আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যেখানেই থাকি আমাদের সম্পর্ক থাকবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে অটুট। আমি আপনার কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চাই। ব্যক্তিগত কারণে আজ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আপনার ও দলের প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছি। 

এর আগে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানকে নির্বাচন করতে বিএনপিতে যোগ দিতে অনুমোদন দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচনি কৌশলের অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন রাশেদ।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর। 

তিনি বলেছিলেন, যেহেতু আন্দোলন বিএনপির নেতৃত্বে ও তাদের সামগ্রিক সমন্বয়ের মাধ্যমে হয়েছে, আমরা আগামী দিনেও একসঙ্গে থাকতে চাই। বর্তমান আরপিও’র বিধান অনুযায়ী জোট করলেও ভোট করতে হবে নিজেদের প্রতীকের মাধ্যমে। তবে স্বাভাবিকভাবে সব এলাকায় সব মার্কা নিয়ে জয়লাভ করা সম্ভব না। তাই এ সিদ্ধান্ত।