বিএনপি জোটের অংশীদার বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজ দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে সোমবার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পরদিন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনে তাকে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি।
বিএনপি থেকে পূর্বঘোষিত প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে পরিবর্তন করে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের ফেসবুকে দলীয় মনোনয়নের ফরম হাতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এহসানুল হুদা গত ২২ ডিসেম্বর তার দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এহসানুল হুদার বাবা সৈয়দ সিরাজুল হুদা বাংলাদেশ জাতীয় দল নামের রাজনৈতিক দলটির প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭৮ সালে সিরাজুল হুদা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে হেরে যান। এহসানুল হুদা ১২–দলীয় জোটের সমন্বয়ক ছিলেন। এ আসন থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয় বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমানকে। এর আগে ধানের শীষ প্রতীকে দুবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি হেরে যান।
স্থানীয় নেতাদের ধারণা, মূলত আসনটি থেকে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে এহসানুল হুদা বাবার দল ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সৈয়দ এহসানুল হুদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ সকালে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার চিঠি হাতে পেয়েছি। আমি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছি।’
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি। তবে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নিকলী-বাজিতপুর এলাকার মানুষ ইকবাল ভাইকে প্রার্থী হিসেবে চায়। এটাই শেষ কথা। এর বাইরে কাউকেই মেনে নেওয়া হবে না।’
নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুল মোমেন মিঠু বলেন, ‘আমি নিজেও প্রার্থী ছিলাম। আমি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দল যাকেই মনোনয়ন দেবে, আমি আমার সমর্থকদের নিয়ে তার পক্ষেই জয়ের জন্য কাজ করবো।’
রিপোর্টারের নাম 
























