ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

মনোনয়নপত্র নিতে এসে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেফতার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে এসে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (ডিসেম্বর) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য তাপস হালদারকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার তাপস ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। তিনি উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের কুমারকান্দি গ্রামের হরেকৃষ্ণ হালদারের ছেলে।

তাপস হালদারের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট হরিদাস মজুমদার নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমরা পাঁচ-সাতজন মিলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের জন্য কোটালীপাড়ার ইউএনও কার্যালয়ে যাই। সেখানে প্রবেশের আগে কোটালীপাড়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার হাওলাদার আসেন, পরিচিত হন, কিছু কথা বলেন এবং চলে যান। এরপর পুলিশ এসে তাপস হালদারকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, তাপস ১৭ বছর কোনও রাজনৈতিক পদে ছিলেন না। আমাদের জানা মতে, তার নামে আগে কোনও মামলা ছিল না। তার এলাকায় জনপ্রিয়তা আছে, যদি নির্বাচন করতে পারেন, তা প্রমাণিত হবে।তারপরও আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। মনোনয়নপত্র নিতে পারলে দাখিল করা হবে।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহামুদ বলেন, দুপুরের দিকে উপজেলা শহরের পশ্চিমপাড় এলাকা থেকে তাপস হালদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে উপজেলার ওয়াপদার হাট এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলতি বছরের ১৬ জুলাই এনসিপির ‘গোপালগঞ্জ রোডমার্চ’ ঠেকাতে পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের ওয়াপদার হাট এলাকায় গাছ ফেলে বিক্ষোভ করেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে জনমনে ভীতি সৃষ্টি ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার তৎকালীন এসআই উত্তম কুমার সেন বাদী হয়ে ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় তাপসকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোনয়নপত্র নিতে এসে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০১:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে এসে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (ডিসেম্বর) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য তাপস হালদারকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার তাপস ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। তিনি উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের কুমারকান্দি গ্রামের হরেকৃষ্ণ হালদারের ছেলে।

তাপস হালদারের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট হরিদাস মজুমদার নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমরা পাঁচ-সাতজন মিলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের জন্য কোটালীপাড়ার ইউএনও কার্যালয়ে যাই। সেখানে প্রবেশের আগে কোটালীপাড়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার হাওলাদার আসেন, পরিচিত হন, কিছু কথা বলেন এবং চলে যান। এরপর পুলিশ এসে তাপস হালদারকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, তাপস ১৭ বছর কোনও রাজনৈতিক পদে ছিলেন না। আমাদের জানা মতে, তার নামে আগে কোনও মামলা ছিল না। তার এলাকায় জনপ্রিয়তা আছে, যদি নির্বাচন করতে পারেন, তা প্রমাণিত হবে।তারপরও আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। মনোনয়নপত্র নিতে পারলে দাখিল করা হবে।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহামুদ বলেন, দুপুরের দিকে উপজেলা শহরের পশ্চিমপাড় এলাকা থেকে তাপস হালদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে উপজেলার ওয়াপদার হাট এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলতি বছরের ১৬ জুলাই এনসিপির ‘গোপালগঞ্জ রোডমার্চ’ ঠেকাতে পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের ওয়াপদার হাট এলাকায় গাছ ফেলে বিক্ষোভ করেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে জনমনে ভীতি সৃষ্টি ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার তৎকালীন এসআই উত্তম কুমার সেন বাদী হয়ে ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় তাপসকে গ্রেফতার দেখানো হয়।