ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ইয়াবা নিয়ে বিরোধে এনসিপি নেতাকে গুলি, পুলিশকে জানালেন তন্বী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে (৪২) যে বাসায় গুলি করা হয়েছে, সেটির ভাড়াটিয়া ছিলেন গ্রেফতার তনিমা তন্বী। ওই বাসায় ১০ হাজার ইয়াবা সংরক্ষিত আছে এবং সেগুলো বের করে না দেওয়ায় মোতালেব শিকদারকে গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তন্বী। মূলত ইয়াবাকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন খুলনা মহানগর পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

এর আগে সোমবার রাতে সদর থানা এলাকা থেকে তন্বীকে গ্রেফতার করেছিল খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। তিনি যুবশক্তির খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব। গত ৪ অক্টোবর জাতীয় যুবশক্তির খুলনা জেলা কমিটি অনুমোদন দেন আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তরিকুল ইসলাম ও সদস্যসচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম। কমিটিতে ১ নম্বর যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ পান তনিমা তন্বী। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকায় তন্বীর ভাড়া বাসায় মোতালেব গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক জানান, গুলিটি তার মাথার চামড়া স্পর্শ করে বেরিয়ে গেছে। বর্তমানে শঙ্কামুক্ত তিনি।

এ ঘটনায় তন্বীকে প্রধান আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মোতালেব শিকদারের স্ত্রী রহিমা আক্তার ফাহিমা বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা সাত-আট জনকে আসামি করা হয়।

খুলনা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তন্বীকে গ্রেফতারের পর কিছু তথ্য ও গুলির ঘটনায় জড়িত সাত-আট জনের নাম জানা গেছে। সে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তন্বীর ভাষ্যমতে, রবিবার রাতে মোতালেবসহ তিন জন তার ভাড়া বাসায় ছিলেন। সোমবার সকালে সাত-আট জনের একদল সন্ত্রাসী বাসায় আসে। তারা সেখানে মোতালেবকে জিম্মি করে মারধর করে। একপর্যায়ে ঘরে ১০ হাজার পিস ইয়াবা আছে বলে দাবি করে তারা। সেগুলো বের করে দিতে চাপ দেয়। এরপর সন্ত্রাসীরা বাসায় তল্লাশি চালায়। কিন্তু কোনও ইয়াবা পায়নি। শেষে ভয় দেখাতে মোতালেবকে এক রাউন্ড গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তারা দ্রুত বাসা থেকে চলে যায়। তন্বীর দেওয়া এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখছি আমরা। সেগুলোর সঙ্গে যাদেরই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের গ্রেফতার করা হবে।’

খুলনা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ঘটনার আগে এবং পরে যারাই তন্বীর বাসায় এসেছেন তাদের সবার সঙ্গে তার ভালো যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে। সোমবার সকালে সাত-আট জন ব্যক্তি বাসায় আসে। তারা গুলি হওয়া পর্যন্ত সেখানে ছিল। ওই সাত-আট জন ব্যক্তি প্রথমে মোতালেবকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। ১০ হাজার ইয়াবা কোথায় রেখেছে সে তথ্য জানতে চাপ দেয়। তখন তন্বী ও আরও দুজন সেখানে থাকলেও মোতালেবকেই শুধু নির্যাতন করা হয়। গুলি করার পর সন্ত্রাসীরা দ্রুত ওই বাসা থেকে চলে যায়। এরপর তন্বীসহ তার সহযোগীরা মোতালেবকে হাত বাঁধা থেকে মুক্ত করে এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেন। যা প্রমাণ করে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তন্বীর যোগাযোগ আছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আট জনের নাম তন্বীর কাছ থেকে জানতে পেরেছি আমরা। এখন তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।’

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে মোতালেবের স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। মামলায় তন্বীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া সাত-আট জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিন রাতে তম্বীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে ঘটনায় জড়িত সবার নাম পাওয়া গেছে। তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আমরা অন্যদের নাম প্রকাশ করছি না। তন্বী নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করেছেন। এ কারণে পুলিশ হেফাজতে রেখে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।’

এ ঘটনাকে ‘অন্তঃকোন্দল’ হিসেবে দেখছে পুলিশ। সোনাডাঙ্গা এলাকায় তন্বীর ভাড়া বাসার ভেতরেই গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। শুরুতে মোতালেব শিকদার পুলিশকে জানান, মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে রাস্তায় গুলি করে পালিয়ে গেছে। তবে পরে তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, ঘটনাটি বাসার ভেতরেই ঘটেছে।

উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গতকাল দুপুরে বলেছিলেন, এনসিপির এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। গাজী মেডিক্যাল কলেজের পাশের একটি ফার্মেসির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ওই ফুটেজে দেখা যায়, রবিরাত সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুজন একটি গাড়িতে এসে গাজী মেডিক্যালের পেছনের আল আকসা মসজিদের দিকের এলাকায় যান। ওই সূত্র ধরেই ঘটনাস্থল শনাক্ত করা হয়।’

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মুক্তা হাউজ নামের ওই ভবনে এসে আমরা বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ পাই। ঘরে ঢুকে দেখা যায়, সেখানে মাদকের ছড়াছড়ি—বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং একটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণেই গুলির ঘটনা ঘটেছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা নিয়ে বিরোধে এনসিপি নেতাকে গুলি, পুলিশকে জানালেন তন্বী

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে (৪২) যে বাসায় গুলি করা হয়েছে, সেটির ভাড়াটিয়া ছিলেন গ্রেফতার তনিমা তন্বী। ওই বাসায় ১০ হাজার ইয়াবা সংরক্ষিত আছে এবং সেগুলো বের করে না দেওয়ায় মোতালেব শিকদারকে গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তন্বী। মূলত ইয়াবাকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন খুলনা মহানগর পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

এর আগে সোমবার রাতে সদর থানা এলাকা থেকে তন্বীকে গ্রেফতার করেছিল খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। তিনি যুবশক্তির খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব। গত ৪ অক্টোবর জাতীয় যুবশক্তির খুলনা জেলা কমিটি অনুমোদন দেন আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তরিকুল ইসলাম ও সদস্যসচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম। কমিটিতে ১ নম্বর যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ পান তনিমা তন্বী। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকায় তন্বীর ভাড়া বাসায় মোতালেব গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক জানান, গুলিটি তার মাথার চামড়া স্পর্শ করে বেরিয়ে গেছে। বর্তমানে শঙ্কামুক্ত তিনি।

এ ঘটনায় তন্বীকে প্রধান আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মোতালেব শিকদারের স্ত্রী রহিমা আক্তার ফাহিমা বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা সাত-আট জনকে আসামি করা হয়।

খুলনা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তন্বীকে গ্রেফতারের পর কিছু তথ্য ও গুলির ঘটনায় জড়িত সাত-আট জনের নাম জানা গেছে। সে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তন্বীর ভাষ্যমতে, রবিবার রাতে মোতালেবসহ তিন জন তার ভাড়া বাসায় ছিলেন। সোমবার সকালে সাত-আট জনের একদল সন্ত্রাসী বাসায় আসে। তারা সেখানে মোতালেবকে জিম্মি করে মারধর করে। একপর্যায়ে ঘরে ১০ হাজার পিস ইয়াবা আছে বলে দাবি করে তারা। সেগুলো বের করে দিতে চাপ দেয়। এরপর সন্ত্রাসীরা বাসায় তল্লাশি চালায়। কিন্তু কোনও ইয়াবা পায়নি। শেষে ভয় দেখাতে মোতালেবকে এক রাউন্ড গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তারা দ্রুত বাসা থেকে চলে যায়। তন্বীর দেওয়া এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখছি আমরা। সেগুলোর সঙ্গে যাদেরই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের গ্রেফতার করা হবে।’

খুলনা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ঘটনার আগে এবং পরে যারাই তন্বীর বাসায় এসেছেন তাদের সবার সঙ্গে তার ভালো যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে। সোমবার সকালে সাত-আট জন ব্যক্তি বাসায় আসে। তারা গুলি হওয়া পর্যন্ত সেখানে ছিল। ওই সাত-আট জন ব্যক্তি প্রথমে মোতালেবকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। ১০ হাজার ইয়াবা কোথায় রেখেছে সে তথ্য জানতে চাপ দেয়। তখন তন্বী ও আরও দুজন সেখানে থাকলেও মোতালেবকেই শুধু নির্যাতন করা হয়। গুলি করার পর সন্ত্রাসীরা দ্রুত ওই বাসা থেকে চলে যায়। এরপর তন্বীসহ তার সহযোগীরা মোতালেবকে হাত বাঁধা থেকে মুক্ত করে এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেন। যা প্রমাণ করে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তন্বীর যোগাযোগ আছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আট জনের নাম তন্বীর কাছ থেকে জানতে পেরেছি আমরা। এখন তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।’

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে মোতালেবের স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। মামলায় তন্বীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া সাত-আট জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিন রাতে তম্বীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে ঘটনায় জড়িত সবার নাম পাওয়া গেছে। তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আমরা অন্যদের নাম প্রকাশ করছি না। তন্বী নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করেছেন। এ কারণে পুলিশ হেফাজতে রেখে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।’

এ ঘটনাকে ‘অন্তঃকোন্দল’ হিসেবে দেখছে পুলিশ। সোনাডাঙ্গা এলাকায় তন্বীর ভাড়া বাসার ভেতরেই গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। শুরুতে মোতালেব শিকদার পুলিশকে জানান, মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে রাস্তায় গুলি করে পালিয়ে গেছে। তবে পরে তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, ঘটনাটি বাসার ভেতরেই ঘটেছে।

উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গতকাল দুপুরে বলেছিলেন, এনসিপির এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। গাজী মেডিক্যাল কলেজের পাশের একটি ফার্মেসির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ওই ফুটেজে দেখা যায়, রবিরাত সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুজন একটি গাড়িতে এসে গাজী মেডিক্যালের পেছনের আল আকসা মসজিদের দিকের এলাকায় যান। ওই সূত্র ধরেই ঘটনাস্থল শনাক্ত করা হয়।’

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মুক্তা হাউজ নামের ওই ভবনে এসে আমরা বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ পাই। ঘরে ঢুকে দেখা যায়, সেখানে মাদকের ছড়াছড়ি—বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং একটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণেই গুলির ঘটনা ঘটেছে।’