ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ছাড়া কোনো চুক্তিতে যাবে না লেবানন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী তামাম সালাম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইসরাইলি বাহিনীর পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহার অন্তর্ভুক্ত না থাকলে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে না তার দেশ। আসন্ন আলোচনায় ওয়াশিংটনের আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে প্যারিসে বৈঠকের পর ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালাম বলেন, ‘ইসরাইলিদের উপস্থিতিতে আমরা তথাকথিত বাফার জোনের ধারণা মেনে নিতে পারি না। এই বাফার জোনে বাস্তুচ্যুত লেবাননিদের ফিরতে দেওয়া হবে না এবং ধ্বংস হওয়া গ্রাম বা শহরগুলো পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে না।’

প্রধানমন্ত্রী সালাম আরও উল্লেখ করেন যে, লেবানন এই বিশ্বাস নিয়েই আলোচনায় বসছে যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ যারা ইসরাইলের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা আশা করি তারা ইসরায়েলের ওপর এই চাপ অব্যাহত রাখবে।’

ইসরাইল ও পশ্চিমা বিশ্বের প্রধান দাবি ‘হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ’ প্রসঙ্গে সালাম বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং রাতারাতি সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনায় বসা মানেই লেবানন নমনীয়তা দেখাচ্ছে এমনটা ভাবা ভুল হবে। তার ভাষায়, ‘আলোচনার মাধ্যমে আমরা ঠিক কী অর্জন করতে পারব তা আমরা জানি না, তবে আমরা কী চাই তা আমাদের কাছে স্পষ্ট।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেন বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা বারবার স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঝোঁকে? একটি সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ছাড়া কোনো চুক্তিতে যাবে না লেবানন

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী তামাম সালাম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইসরাইলি বাহিনীর পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহার অন্তর্ভুক্ত না থাকলে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে না তার দেশ। আসন্ন আলোচনায় ওয়াশিংটনের আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে প্যারিসে বৈঠকের পর ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালাম বলেন, ‘ইসরাইলিদের উপস্থিতিতে আমরা তথাকথিত বাফার জোনের ধারণা মেনে নিতে পারি না। এই বাফার জোনে বাস্তুচ্যুত লেবাননিদের ফিরতে দেওয়া হবে না এবং ধ্বংস হওয়া গ্রাম বা শহরগুলো পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে না।’

প্রধানমন্ত্রী সালাম আরও উল্লেখ করেন যে, লেবানন এই বিশ্বাস নিয়েই আলোচনায় বসছে যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ যারা ইসরাইলের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা আশা করি তারা ইসরায়েলের ওপর এই চাপ অব্যাহত রাখবে।’

ইসরাইল ও পশ্চিমা বিশ্বের প্রধান দাবি ‘হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ’ প্রসঙ্গে সালাম বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং রাতারাতি সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনায় বসা মানেই লেবানন নমনীয়তা দেখাচ্ছে এমনটা ভাবা ভুল হবে। তার ভাষায়, ‘আলোচনার মাধ্যমে আমরা ঠিক কী অর্জন করতে পারব তা আমরা জানি না, তবে আমরা কী চাই তা আমাদের কাছে স্পষ্ট।’