জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাস ভাড়া নির্ধারণে মালিকপক্ষের জনবিরোধী ও অযৌক্তিক দাবির কাছে নতিস্বীকার না করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর প্রতি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে সরকারের কঠোর ও দৃঢ় অবস্থান প্রত্যাশা করেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ডিজেলের দাম লিটারে মাত্র এক টাকা বাড়লেও বাস মালিকরা নানা অজুহাতে ও ভুয়া ব্যয় বিশ্লেষণ দেখিয়ে ৬৪ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, ইতিপূর্বে তেলের দাম কয়েক দফায় কমলেও সাধারণ যাত্রীরা তার কোনো সুফল পায়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও তখন কোনো তদারকি ছিল না। এবার ডিজেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে সরকার দূরপাল্লা ও সিটি সার্ভিসের ভাড়া যেভাবে পুনর্নির্ধারণ করেছে, তা মালিকদের অন্যায্য দাবির মুখে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে পরিবহন খাতের বিভিন্ন কমিটিতে মালিক ও শ্রমিকদের আধিপত্য থাকায় ভাড়ার তালিকা জালিয়াতি বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপকৌশল বন্ধে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















