ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

‘‘জাতির জন্য কিছু করতে পারার তৃপ্তি নিয়ে মৃত্যুবরণ করাই আমার লক্ষ্য’’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারসহ (এসপি) সব মাঠ প্রসাশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এই জাতির জন্য কিছু করতে পেরেছি— এই তৃপ্তি নিয়ে মৃত্যুবরণ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সভায় সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। 

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনে সিইসি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের কথাবার্তা শুনে আমার বুকের জোর ও আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। আমি এখন নতুন সাহস নিয়ে ফিরে যাচ্ছি। আপনারা মাঠে গিয়ে প্রফেশনালি কাজ করবেন, কোনোভাবেই কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব (বায়াসড) করবেন না। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই, আমরা শুধু একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।” 

তিনি বলেন, “দুজন ব্যক্তি আমাদের কাছে ভিভিআইপি, আইন থাকলে এখনো ঘোষণা করে দিতাম— একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আরেক জন প্রিজাইডিং অফিসার।” 

ঢাকা শহরসহ সারাদেশে পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সিইসি বলেন, “আপনারা যে পোস্টার সরাচ্ছেন, তার কোনো খবর দেখছি না। প্রতিটি কাজের পাবলিসিটি বাড়াতে হবে।” তিনি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, “যারা দায়িত্ব পেয়েছেন তারা নির্বাচন পরিচালনা বিধি ভালো করে পড়ুন, অন্যথায় প্রাথমিক দায়িত্ব পালনেই আপনারা ব্যর্থ হবেন।” 

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, “বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে অনেক ধরনের উসকানি হতে পারে। ময়মনসিংহে সাম্প্রতিক এক হিন্দু ব্যক্তির লাশ পোড়ানোর ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কমিউনাল হারমোনি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে এবং ভোটের পরেও শান্তিতে থাকতে পারে, তা প্রশাসন ও পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে।” 

সিইসি আরও বলেন, “মাইনরিটি কমিউনিটি যারা ভোট দিতে আসতে চান, তারা যাতে সেফলি, শান্তিপূর্ণভাবে আসতে পারে, ভোট দিয়ে বাড়ি পর্যন্ত ফিরে যেতে পারে এবং শান্তিতে ঘুমাতে পারে, সে ব্যবস্থা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে। 

সভায় নির্বাচন কমিশনাররা, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাতে চা শ্রমিকের মৃত্যু

‘‘জাতির জন্য কিছু করতে পারার তৃপ্তি নিয়ে মৃত্যুবরণ করাই আমার লক্ষ্য’’

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারসহ (এসপি) সব মাঠ প্রসাশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এই জাতির জন্য কিছু করতে পেরেছি— এই তৃপ্তি নিয়ে মৃত্যুবরণ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সভায় সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। 

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনে সিইসি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের কথাবার্তা শুনে আমার বুকের জোর ও আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। আমি এখন নতুন সাহস নিয়ে ফিরে যাচ্ছি। আপনারা মাঠে গিয়ে প্রফেশনালি কাজ করবেন, কোনোভাবেই কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব (বায়াসড) করবেন না। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই, আমরা শুধু একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।” 

তিনি বলেন, “দুজন ব্যক্তি আমাদের কাছে ভিভিআইপি, আইন থাকলে এখনো ঘোষণা করে দিতাম— একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আরেক জন প্রিজাইডিং অফিসার।” 

ঢাকা শহরসহ সারাদেশে পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সিইসি বলেন, “আপনারা যে পোস্টার সরাচ্ছেন, তার কোনো খবর দেখছি না। প্রতিটি কাজের পাবলিসিটি বাড়াতে হবে।” তিনি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, “যারা দায়িত্ব পেয়েছেন তারা নির্বাচন পরিচালনা বিধি ভালো করে পড়ুন, অন্যথায় প্রাথমিক দায়িত্ব পালনেই আপনারা ব্যর্থ হবেন।” 

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, “বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে অনেক ধরনের উসকানি হতে পারে। ময়মনসিংহে সাম্প্রতিক এক হিন্দু ব্যক্তির লাশ পোড়ানোর ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কমিউনাল হারমোনি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে এবং ভোটের পরেও শান্তিতে থাকতে পারে, তা প্রশাসন ও পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে।” 

সিইসি আরও বলেন, “মাইনরিটি কমিউনিটি যারা ভোট দিতে আসতে চান, তারা যাতে সেফলি, শান্তিপূর্ণভাবে আসতে পারে, ভোট দিয়ে বাড়ি পর্যন্ত ফিরে যেতে পারে এবং শান্তিতে ঘুমাতে পারে, সে ব্যবস্থা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে। 

সভায় নির্বাচন কমিশনাররা, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।