অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণ বন্ধে যুক্তরাজ্য ও তার মিত্রদের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন একদল সাবেক ব্রিটিশ কূটনীতিক। তারা সতর্ক করেছেন যে, বর্তমান নীতিগুলো এই ভূখণ্ডকে সংযুক্তিকরণের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করছে এবং আন্তর্জাতিক আইনকে ক্ষুণ্ণ করছে।
৮০ জনেরও বেশি প্রাক্তন কূটনীতিক, যাদের মধ্যে ৬০ জন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার রয়েছেন, এক চিঠিতে বলেছেন যে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের সম্প্রসারণবাদী কার্যকলাপ ও নীতিগুলো ‘দখল প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার শামিল’। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয়ই ইসরাইলের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে এবং বিশ্ব যখন অন্যান্য সংকটে ব্যস্ত, তখন ইসরাইল পশ্চিম তীর ও গাজায় তার নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে।
কূটনীতিকরা দাবি করেছেন যে, ইসরাইল ইইউ-ইসরাইল অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি এবং যুক্তরাজ্য-ইসরাইল বাণিজ্য ও অংশীদারিত্ব চুক্তি উভয়ই লঙ্ঘন করছে। এই চুক্তিগুলোতে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে। তারা দখলদারদের ক্রমবর্ধমান বসতি স্থাপন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি বৈষম্য এবং রাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পিত বসতি স্থাপনকারী সহিংসতাকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
স্বাক্ষরকারীরা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইসরাইলের সাথে তাদের সহযোগী চুক্তি স্থগিত করতে, বসতিগুলোর সাথে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করতে, অস্ত্র হস্তান্তর বন্ধ করতে এবং ইইউ কর্মসূচিতে ইসরাইলের অংশগ্রহণ সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা যুক্তরাজ্যকেও বসতিগুলোর সাথে সমস্ত বাণিজ্য নিষিদ্ধ করতে এবং ইসরাইলের সাথে তাদের চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করার অনুরোধ করেছেন।
চিঠির শেষে বলা হয়েছে যে, কেবল নিন্দা জানানো যথেষ্ট নয়। বিশ্ব যখন অন্য বিষয় নিয়ে ব্যস্ত, তখন অধিকৃত ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে। তাই কার্যকর সরকারি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 





















