গ্রিসের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ক্রিট দ্বীপের দক্ষিণে একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে প্রায় ৫৪০ জন আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড জানায়, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) তল্লাশি অভিযানের সময় গাভদোস দ্বীপ থেকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল দূরে ওই আশ্রয়প্রার্থীদের খুঁজে পাওয়া যায়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
কোস্টগার্ডের এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, উদ্ধার হওয়া আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের নাগরিক রয়েছেন।
মুখপাত্র জানান, তাদের ক্রিটের শহর রেথিমনোতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাদের আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। নৌকাটি কোথা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার আলাদা এক ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স গাভদোস উপকূলে বিপদগ্রস্ত দুটি নৌকা থেকে আশ্রয়প্রার্থী ৬৫ জন পুরুষ ও পাঁচজন নারীকে উদ্ধার করে বলে গ্রিক কোস্টগার্ড জানিয়েছে।
২০১৫ ও ২০১৬ সালে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইউরোপে প্রবেশ করেন। তাঁদের একটি বড় অংশ গ্রিস হয়ে ঢোকে। বেশির ভাগ আশ্রয় পেয়েছেন জার্মানিতে। সমুদ্রপথে ইউরোপে যাত্রা করা এসব আশ্রয়প্রার্থীর অনেকে লিবিয়া থেকে যাত্রা করতেন।
আগামী জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি কার্যকর হবে। চুক্তির আওতায় গ্রিস, সাইপ্রাস, স্পেন ও ইতালি অভিবাসন চাপ মোকাবিলায় সহায়তা পাবে।
তবে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস সম্প্রতি বলেছেন, নতুন চুক্তির আওতায় যেসব আশ্রয়প্রার্থীর নিরাপত্তাসংক্রান্ত্র দাবি বাতিল হবে, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই চুক্তির সমালোচনা করেছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, এটি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ চুক্তির ফলে তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























