মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট হাজারো নথি শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রকাশ করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। সেগুলোর বড় অংশই কালো কালিতে ঢেকে রাখা। এসব নথিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উল্লেখ প্রায় নেই বললেই চলে, তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাম ঘন ঘন এসেছে।
এবার ট্রাম্পকে ঘিরে তথ্য কম থাকার বিষয়টি অনেকের চোখে পড়েছে, কারণ আগের কিছু প্রকাশিত নথিতে তার ছবি ও নাম ছিল। উদাহরণ হিসেবে, চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ফ্লাইট ম্যানিফেস্টে ট্রাম্পের নাম ছিল, যেখানে এপস্টেইনের ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ব্যবহারকারী মেহমানদের তালিকা ছিল।
নভেম্বরে কংগ্রেসে পাস হওয়া আইন যা এপস্টেইন সংক্রান্ত সব নথি অবমুক্ত করতে বলে, সে অনুসারে সর্বশেষ নথিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এগুলো প্রকাশে একসময় অনীহা দেখাচ্ছিলেন। এপস্টেইনকে ঘিরে বিতর্ক বর্তমানে ট্রাম্পের জন্য একটি রাজনৈতিক ক্ষত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যিনি আগে থেকে এই বিষয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়েছিলেন।
অবশ্য নতুন তথ্য কতটা মিলেছে তা স্পষ্ট নয়—কারণ ২০১৯ সালে কারাগারে এপস্টেইনের মৃত্যুর (যা আত্মহত্যা বলে রায় দেওয়া হয়) পর থেকেই বহু নথি জনসমক্ষে এসেছে। এবারও বহু নথি এতটাই কালো কালিতে ঢেকে রাখা যে ১০০ পৃষ্ঠারও বেশি অনেক কাগজ পুরোপুরি কালো করা রয়েছে। বিচার বিভাগ জানায়, আরও কয়েক লাখ পৃষ্ঠা তারা পর্যালোচনা করছে।
নথি প্রকাশের পরপরই মার্কিন সেনাবাহিনী সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের ঘাঁটিতে হামলা চালায়, মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে।
প্রকাশিত উপকরণে এপস্টেইন তদন্তের বেশ কিছু প্রমাণ ছিল এবং ক্লিনটনের ছবি ছিল—যা রিপাবলিকানদের বহুদিনের সমালোচনার কেন্দ্র। তবে ট্রাম্পের ছবি বা নথি খুব কমই দেখা গেছে—যদিও ১৯৯০ ও ২০০০ সালের শুরুর দিকে ট্রাম্প ও এপস্টেইনের বন্ধুত্ব ছিল, যা ২০০৮ সালে এপস্টিনের প্রথম দণ্ডের আগেই ভেঙে যায়।
অবশ্য এই নিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নেই এবং তিনি বরাবরই দাবি করেছেন যে এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে তিনি কিছু জানতেন না।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্টারের নাম 























