ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

হোমনা থানা হেফাজতে নারীর ‘আত্মহত্যা’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লায় থানা হেফাজতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হামিদা ওরফে ববিতা নামে এক নারী আসামি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জেলার হোমনা থানায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই নারীকে নিয়মিত একটি মামলায় পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (হোমনা সার্কেল) আব্দুল করিম।

তিনি জানান, হামিদা ওরফে ববিতা নামে ওই নারী বুধবার সকালে তার সতীনের ছেলে সায়মনকে (১১) ছুরিকাঘাত করে পেটের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলে। পরে সায়মনকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত ওই ছেলে বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ওই নারী আত্মহত্যা করে।

তাকে থানার হাজতখানার বাইরে অন্য একটি রুমে রাখা হয়েছে এমন প্রশ্নে পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, ওই নারীর ৪ বছরের একটি বাচ্চা ছিল। তাই তাকে নারী ও শিশু সেবা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া তার সঙ্গে অন্য নারী আসামি ও নারী গ্রামপুলিশ ছিল।

তিনি আরও জানান, যেহেতু থানা হেফাজতে এ ঘটনা ঘটেছে, তাই বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়েছে। তার সুরতহাল শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চরভদ্রাসনে দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: স্বামীর দাবি অভিমান থেকে আত্মহত্যা

হোমনা থানা হেফাজতে নারীর ‘আত্মহত্যা’

আপডেট সময় : ০২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লায় থানা হেফাজতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হামিদা ওরফে ববিতা নামে এক নারী আসামি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জেলার হোমনা থানায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই নারীকে নিয়মিত একটি মামলায় পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (হোমনা সার্কেল) আব্দুল করিম।

তিনি জানান, হামিদা ওরফে ববিতা নামে ওই নারী বুধবার সকালে তার সতীনের ছেলে সায়মনকে (১১) ছুরিকাঘাত করে পেটের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলে। পরে সায়মনকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত ওই ছেলে বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ওই নারী আত্মহত্যা করে।

তাকে থানার হাজতখানার বাইরে অন্য একটি রুমে রাখা হয়েছে এমন প্রশ্নে পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, ওই নারীর ৪ বছরের একটি বাচ্চা ছিল। তাই তাকে নারী ও শিশু সেবা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া তার সঙ্গে অন্য নারী আসামি ও নারী গ্রামপুলিশ ছিল।

তিনি আরও জানান, যেহেতু থানা হেফাজতে এ ঘটনা ঘটেছে, তাই বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়েছে। তার সুরতহাল শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।