ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনের ভাইয়ের ইটের আঘাতে বরের মা নিহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পালিয়ে বিয়ে করার জেরে কনের ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে বরের মা দীপালি রাণী দাস (৫৫) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দীপালি রাণী দাস ওই এলাকার মৃত শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

ঘটনার বিষয়ে নিহতের মেয়ে ইতিরানী দাস জানান, প্রায় তিন মাস আগে তার ভাই সবুজ চন্দ্র দাস প্রতিবেশী সুকেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে সুইটি রাণী দাসকে পালিয়ে বিয়ে করেন। তবে এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি কনের পরিবার। বিয়ের পর থেকেই বরের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবারটি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

সম্প্রতি তারা বাড়িতে ফিরে এলে কনেপক্ষ আবারও হামলা ও ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাজারে সবুজের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। দুপুরে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে কনেপক্ষ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সবুজের শ্যালক নিলয় চন্দ্র দাস ইট দিয়ে শাশুড়ি দীপালি রাণী দাসের মাথা ও মুখে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কনের পরিবারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সানজিদা ইসলাম তুলি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনের ভাইয়ের ইটের আঘাতে বরের মা নিহত

আপডেট সময় : ০৩:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পালিয়ে বিয়ে করার জেরে কনের ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে বরের মা দীপালি রাণী দাস (৫৫) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দীপালি রাণী দাস ওই এলাকার মৃত শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

ঘটনার বিষয়ে নিহতের মেয়ে ইতিরানী দাস জানান, প্রায় তিন মাস আগে তার ভাই সবুজ চন্দ্র দাস প্রতিবেশী সুকেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে সুইটি রাণী দাসকে পালিয়ে বিয়ে করেন। তবে এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি কনের পরিবার। বিয়ের পর থেকেই বরের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবারটি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

সম্প্রতি তারা বাড়িতে ফিরে এলে কনেপক্ষ আবারও হামলা ও ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাজারে সবুজের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। দুপুরে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে কনেপক্ষ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সবুজের শ্যালক নিলয় চন্দ্র দাস ইট দিয়ে শাশুড়ি দীপালি রাণী দাসের মাথা ও মুখে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কনের পরিবারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।