সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে করা কটূক্তির মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন জামালপুর আদালত। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সরিষাবাড়ী আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তার এই মামলায় ডা. মুরাদ হাসানসহ দুই আসামিকে আদালতে হাজির হতে এই আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, তথ্য প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে এক ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের টকশোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান তথা জিয়া পরিবার নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ হাসান। অসৎ উদ্দেশে এই মিথ্যাচার, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ১০ হাজার কোটি টাকার অধিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এই ঘটনায় জামালপুর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহ সভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা লায়ন রুমেল বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ডা. মুরাদ হাসান ছাড়াও টকশোর উপস্থাপক চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলাকার এ টি এম আবুল কাশেমের ছেলে মহি উদ্দিন হেলাল নাহিদকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মনিরুজ্জামান বলেন, গত ২৪ মে সরিষাবাড়ী আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুকসানা পারভীন মামলাটি আমলে নিয়ে ডা. মুরাদ হাসানসহ দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। কিন্তু আসামিরা আদালতে উপস্থিত না হয়ে পলাতক থাকায় তাদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য সোমবার আদালত আদেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিরা যদি এরপরও আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক থাকে তবে তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলায় বিচারকাজ চলবে।
রিপোর্টারের নাম 























