তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলা সদরে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে টানা পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলে। দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষ চলার কারণে এলাকাবাসী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সোমবার সকালে উপজেলা সদরের সৈয়দটুলা গ্রামের এক রিকশাচালক পাশের পাঠান পাড়া গ্রামের মালুর মিয়ার গরুর ওপর রিকশা উঠিয়ে দেয়। এরপরই দুই জনের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এই সংঘর্ষ সৈয়দটুলার পক্ষে পাঁচ গ্রাম এবং পাঠানপাড়ার পক্ষে সাত গ্রাম সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ভূমিকা না থাকায় এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আরাফাত রহমান বলেন, থানা থেকে মাত্র ৫০ গজের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হলেও পুলিশ কোনও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। পুলিশের ভূমিকায় আমরা হতাশ।
সরাইল সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, পুলিশ এসে কয়েকবার ঘুরে গেছে। তবে তারা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের বলেন, তারা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন।
এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যান।
রিপোর্টারের নাম 
























