ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু: বিভাগের সব জেলার গভীর নলকূপের তথ্য চেয়েছে প্রশাসন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

গভীর নলকূপের জন্য খোঁড়া উন্মুক্ত গর্তে যেকোনো দুর্ঘটনা রোধে রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে সব গভীর নলকূপের তথ্য চাওয়া হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) রেজাউল আলম সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য চাওয়া হয়। আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এ তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিভাগের আওতাধীন আট জেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ), বিএডিসি (সেচ) কর্তৃক এবং স্থানীয় উদ্যোগে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গভীর নলকূপের পাইপের মুখটি উন্মুক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাখা হয়। এতে অনেক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থায় বিভাগের আট জেলায় গভীর নলকূপের পাইপ উন্মুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ থাকার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা রোধকল্পে সংযুক্ত ছক মোতাবেক তার জেলার তথ্য আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিভাগীয় কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। বিভাগের আট জেলা হলো- রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের কছির উদ্দিনের জমিতে থাকা গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর বৃহস্পতিবার রাতে মাটির ৫০ ফুট নিচ থেকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাজিদ (২) ওই গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে। সাজিদের বাবা ছেলের লাশ উদ্ধারের পর অভিযোগ করেছিলেন, এটি অবহেলাজনিত মৃত্যু। তিনি বিচার চান। তবে এখন তিনি মামলা করতে চাচ্ছেন না। এদিকে যিনি গর্তটি খুঁড়েছিলেন, সেই কছির উদ্দিন ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে আছেন। উপজেলা সেচ কমিটির অনুমোদন না নিয়েই অবৈধভাবে তিনি ওই গর্ত খুঁড়েছিলেন। ফলে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু: বিভাগের সব জেলার গভীর নলকূপের তথ্য চেয়েছে প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

গভীর নলকূপের জন্য খোঁড়া উন্মুক্ত গর্তে যেকোনো দুর্ঘটনা রোধে রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে সব গভীর নলকূপের তথ্য চাওয়া হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) রেজাউল আলম সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য চাওয়া হয়। আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এ তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিভাগের আওতাধীন আট জেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ), বিএডিসি (সেচ) কর্তৃক এবং স্থানীয় উদ্যোগে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গভীর নলকূপের পাইপের মুখটি উন্মুক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাখা হয়। এতে অনেক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থায় বিভাগের আট জেলায় গভীর নলকূপের পাইপ উন্মুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ থাকার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা রোধকল্পে সংযুক্ত ছক মোতাবেক তার জেলার তথ্য আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিভাগীয় কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। বিভাগের আট জেলা হলো- রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের কছির উদ্দিনের জমিতে থাকা গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর বৃহস্পতিবার রাতে মাটির ৫০ ফুট নিচ থেকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাজিদ (২) ওই গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে। সাজিদের বাবা ছেলের লাশ উদ্ধারের পর অভিযোগ করেছিলেন, এটি অবহেলাজনিত মৃত্যু। তিনি বিচার চান। তবে এখন তিনি মামলা করতে চাচ্ছেন না। এদিকে যিনি গর্তটি খুঁড়েছিলেন, সেই কছির উদ্দিন ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে আছেন। উপজেলা সেচ কমিটির অনুমোদন না নিয়েই অবৈধভাবে তিনি ওই গর্ত খুঁড়েছিলেন। ফলে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি।