ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত শান্তিরক্ষী সবুজের গাইবান্ধার বাড়িতে আহাজারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

সুদানে জাতিসংঘের (ইউএন) শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মধ্যে একজন লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া। তার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায়।

নিহত সবুজ মিয়া পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি (ছোট ভগবানপুর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে। ছোটবেলায় বাবাকে হারান সবুজ।

সবুজ মিয়ার মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে তার মা, স্ত্রীসহ স্বজনদের মাঝে আহাজারি ও শোকের মাতম চলছে। পুরো গ্রামজুড়েই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আকন্দ জানান, প্রায় ৭–৮ বছর আগে সবুজ মিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন।

এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবুজ মিয়া ছিলেন ছোট। তার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। তিনি এক বছর আগে নাটোর জেলায় বিবাহ করেন। তার স্ত্রী ও মা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিন মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে এসে পুনরায় কর্মস্থলে যোগ দেন সবুজ।

এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ জানান, নিহতের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালায়। এতে দায়িত্ব পালনরত ছয় জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও আট জন আহত হন।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত শান্তিরক্ষী সবুজের গাইবান্ধার বাড়িতে আহাজারি

আপডেট সময় : ০৪:১৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘের (ইউএন) শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মধ্যে একজন লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া। তার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায়।

নিহত সবুজ মিয়া পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি (ছোট ভগবানপুর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে। ছোটবেলায় বাবাকে হারান সবুজ।

সবুজ মিয়ার মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে তার মা, স্ত্রীসহ স্বজনদের মাঝে আহাজারি ও শোকের মাতম চলছে। পুরো গ্রামজুড়েই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আকন্দ জানান, প্রায় ৭–৮ বছর আগে সবুজ মিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন।

এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবুজ মিয়া ছিলেন ছোট। তার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। তিনি এক বছর আগে নাটোর জেলায় বিবাহ করেন। তার স্ত্রী ও মা বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিন মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে এসে পুনরায় কর্মস্থলে যোগ দেন সবুজ।

এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ জানান, নিহতের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালায়। এতে দায়িত্ব পালনরত ছয় জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও আট জন আহত হন।