ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন নীতি আরও এক ধাপ এগিয়েছে, যেখানে দেশগুলো একটি সাধারণ ‘নিরাপদ দেশের’ তালিকা নিয়ে একমত হয়েছে। সোমবার ইউরোপীয় কাউন্সিলের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে এই তালিকায় বাংলাদেশ ও ভারতের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় নীতি নিয়ে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত করেছে। এই পরিকল্পনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কঠোর আশ্রয় নিয়ম, একটি সাধারণ ‘নিরাপদ দেশের’ তালিকা এবং যেসব অভিবাসী থাকার অনুমতি পান না, তাদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর কঠোর ব্যবস্থা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ইইউর তালিকাভুক্ত ‘নিরাপদ দেশে’ নিরাপদে থাকতে পারতেন, তাহলে তার আশ্রয় আবেদন সহজেই প্রত্যাখ্যান করা যাবে। এই তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, কলোম্বিয়া, মিশর, ভারত, কসোভো, মরক্কো ও টিউনিশিয়া।
যারা এই প্রস্তাবগুলো সমর্থন করেছেন, তারা বলছেন যে এটি ইউরোপে অনিরাপদ পথ পাড়ি দিয়ে আসা কমাতে সাহায্য করবে। তবে অনেক মানবাধিকার সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এই নিয়ম অনেক মানুষের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করবে। এই অবস্থান এখন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আলোচনা হবে এবং অনুমোদন পেলে নীতিগুলো ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হতে পারে, যা ইইউর অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে দেবে।
রিপোর্টারের নাম 

























