চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) একদিনেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৩টি ব্যাংক থেকে ২০২ মিলিয়ন ডলার কিনেছে। লেনদেনটি হয়েছে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা দরে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছর শুরুর পর থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার ক্রয় করছে। রফতানি আয় ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় ডলার বাজারে চাপ কমেছে, বিপরীতে টাকার মান কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। চলতি বছরের ২ জুলাই বাজারে সর্বোচ্চ ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় ডলার লেনদেন হয়েছিল।
এর আগে ২০২১–২৫ অর্থবছরের মধ্যে আমদানির চাপ সামাল দিতে—বিশেষ করে জ্বালানি, সার ও খাদ্যপণ্য আমদানির খরচ মেটাতে—বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করেছিল। দীর্ঘদিন পর এবার পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও ডলার সংগ্রহে জোর দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মানদণ্ড—ব্যালান্স অব পেমেন্টস ম্যানুয়াল ৬ বা বিওপিএম৬—অনুসারে হিসাব করলে রিজার্ভ থাকে ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডলার কেনার এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাজারে তারল্য ও মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা আরও দৃঢ় হবে। তবে রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা ও আমদানি প্রবণতার ওপরও নজর রাখতে হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।
রিপোর্টারের নাম 























