নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘রোজার আগে নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচন যত বিলম্ব হবে শঙ্কা তত বাড়বে। আগে নির্বাচন কমিশন বলেছিল চলতি মাসের ৭/৮ তারিখের দিকে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তারপর শোনা গেলো ১১ তারিখ ঘোষণা হবে। এখন নির্বাচন কমিশন বলছে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে কোনও কথা বলবে না। কিন্তু আমরা বলেছি, রোজার আগেই নির্বাচন হতে হবে।’
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকালে কুড়িগ্রামে নাগরিক ঐক্যের জেলা কার্যালয় উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সংকটের প্রতি ইঙ্গিত করে মান্না বলেন, ‘দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জোটে বেগম জিয়ার অসাধারণ অবদান ছিল। তিনি অনেক কষ্ট করেছেন, অনেক নির্যাতন সহ্য করেছেন। সবাই চাই তিনিও এই নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় থাকুন। তার স্বাস্থ্য বিষয়ে সবার মাঝে একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সে কারণে নির্বাচনের অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয় কিনা, এটা আমাদের মনের মধ্যে আছে। তবে আমরা চাই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে।’
বিএনপি কিংবা সমমনা দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি জোট প্রসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, ‘১৫ বছরের লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে বিএনপিসহ অন্যান্য দল ছিল। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আলাপ-আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা হয়নি। আমরা এককভাবে কিছু করতে চাই না।’
জেলা শহরের কলেজ মোড়ে অবস্থিত স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে আয়োজিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন মান্না। এ সময় তিনি বলেন, ‘জনগণের কল্যাণে যা হয় এই অঙ্গীকার যদি কোনও দল সবার সামনে করে তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে আছি। বিএনপি যদি করে তাহলে বিএনপির সঙ্গে আছি।’
সমাবেশে নাগরিক ঐক্যে সদ্য যোগ দেওয়া জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আব্দুস সালামকে কুড়িগ্রাম-২ আসনে প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন মান্না। নির্বাচনি জোট হলে নিজ দলের প্রার্থী সাবেক এই জাপা নেতাকে যোগ্য বিবেচনা করে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার যুক্তি তুলে ধরেন।
সমাবেশে দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্যাহ কায়সার, সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আব্দুস সালাম, সদস্যসচিব জোহবাদুল ইসলাম বাবলুসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























