ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

গুলি করে হত্যার ৭ দিন পর যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে শহিদুল ইসলাম (৩৭) ওরফে শহিদ নামে বাংলাদেশি যুবককে হত্যার সাত দিন পর মরদেহ ফেরত দিয়েছে। শনিবার সীমান্তের দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দর এলাকায় পতাকা বৈঠকের পর বিএসএফ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবির পক্ষে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান নিহত শহিদের মরদেহ গ্রহণ করেন।

জীবননগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিহত শহিদের লাশ সাত দিন পরে ফেরত দিলো বিএসএফ। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ নিহতের পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সর্বশেষ মরদেহটি শহিদের বাবা নস্কার আলীসহ পরিবারের লোকজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ নভেম্বর জীবননগরে গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন শহিদুল। তিনি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের নস্কর আলীর ছেলে। এ সময় পাঁচ সঙ্গী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও বিএসএফের গুলিতে শহিদ আহত হন। আহত শহিদুলকে চিকিৎসার জন্য কৃষ্ণগঞ্জের গ্রামীণ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে রাশিয়ার কড়া বার্তা: অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

গুলি করে হত্যার ৭ দিন পর যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

আপডেট সময় : ০৯:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে শহিদুল ইসলাম (৩৭) ওরফে শহিদ নামে বাংলাদেশি যুবককে হত্যার সাত দিন পর মরদেহ ফেরত দিয়েছে। শনিবার সীমান্তের দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দর এলাকায় পতাকা বৈঠকের পর বিএসএফ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবির পক্ষে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান নিহত শহিদের মরদেহ গ্রহণ করেন।

জীবননগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিহত শহিদের লাশ সাত দিন পরে ফেরত দিলো বিএসএফ। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ নিহতের পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সর্বশেষ মরদেহটি শহিদের বাবা নস্কার আলীসহ পরিবারের লোকজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ নভেম্বর জীবননগরে গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন শহিদুল। তিনি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের নস্কর আলীর ছেলে। এ সময় পাঁচ সঙ্গী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও বিএসএফের গুলিতে শহিদ আহত হন। আহত শহিদুলকে চিকিৎসার জন্য কৃষ্ণগঞ্জের গ্রামীণ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।