মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে লুটপাট, অর্থপাচার নিয়ে এপিজি’র উদ্বেগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বিগত সরকারের শাসনামলে দেশের ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজার খাতে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি, নজিরবিহীন লুটপাট এবং বিদেশে অর্থপাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি) প্রতিনিধি দল। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এসব অনিয়ম ও অর্থপাচারের ঘটনা বাংলাদেশের আসন্ন পারস্পরিক মূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে আসন্ন পারস্পরিক মূল্যায়নের প্রস্তুতি, অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ এবং দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য কিছু কার্যক্রম চিহ্নিত করতে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করে এপিজির একটি প্রতিনিধি দল। সফরের অংশ হিসেবে তারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে প্রতিনিধি দল। তারা এসব উদ্যোগ অব্যাহত রাখারও সুপারিশ করেছে।

এপিজি প্রতিনিধি দলের সফরটি মূলত বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিস্তার রোধে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোর সক্ষমতা মূল্যায়নের প্রস্তুতির অংশ। এ লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে তারা।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের আগের মূল্যায়নের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং পরবর্তী মূল্যায়নের অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা এসব আলোচনায় অংশ নেন। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও পৃথক অধিবেশন হয়, যেখানে ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী, এনজিও এবং বিভিন্ন রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিন দিনের কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে গভর্নর, বিএফআইইউর প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্য…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে হকির কোচিং প্যানেলে চয়ন ও পিন্টু

ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে লুটপাট, অর্থপাচার নিয়ে এপিজি’র উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বিগত সরকারের শাসনামলে দেশের ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজার খাতে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি, নজিরবিহীন লুটপাট এবং বিদেশে অর্থপাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি) প্রতিনিধি দল। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এসব অনিয়ম ও অর্থপাচারের ঘটনা বাংলাদেশের আসন্ন পারস্পরিক মূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে আসন্ন পারস্পরিক মূল্যায়নের প্রস্তুতি, অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ এবং দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য কিছু কার্যক্রম চিহ্নিত করতে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করে এপিজির একটি প্রতিনিধি দল। সফরের অংশ হিসেবে তারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে প্রতিনিধি দল। তারা এসব উদ্যোগ অব্যাহত রাখারও সুপারিশ করেছে।

এপিজি প্রতিনিধি দলের সফরটি মূলত বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিস্তার রোধে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোর সক্ষমতা মূল্যায়নের প্রস্তুতির অংশ। এ লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে তারা।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের আগের মূল্যায়নের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং পরবর্তী মূল্যায়নের অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা এসব আলোচনায় অংশ নেন। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও পৃথক অধিবেশন হয়, যেখানে ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী, এনজিও এবং বিভিন্ন রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিন দিনের কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে গভর্নর, বিএফআইইউর প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্য…