দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার দেশের আটটি জেলায় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। এর মধ্যে কক্সবাজার ও নেত্রকোনায় চারজন করে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া যশোর, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ এবং নওগাঁয় একজন করে নিহত হন।
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও একটি জিপের (স্থানীয়ভাবে জিটু গাড়ি নামে পরিচিত) মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হন। নিহত ও আহতদের সবাই জিপের যাত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার জসিম উদ্দিন (২৫), একই উপজেলার শিয়ালকাটা এলাকার মো. শাহেদ (২৭), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মো. রফিক (২৯) এবং নতুন অফিস এলাকার জিয়াবুল হক (২৫)। আহতদের মধ্যে অনেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে ফাঁড়ির এসআই মো. সামছুজ্জামান জানান, কক্সবাজার অভিমুখী লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই লোকাল জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জিটু গাড়িটি ছিটকে পড়ে এবং এতে থাকা ৯ যাত্রী গুরুতর আহত হন। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসটির চালক ও সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে এবং অপর তিনজন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান। আহত অন্যান্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এসআই সামছুজ্জামান আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও জিটু গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে, নেত্রকোনায় পিকআপ ও সারবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে অজ্ঞাতপরিচয় তিন পুরুষ ও এক নারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের নারান্দিয়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
রিপোর্টারের নাম 





















