আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বৃহস্পতিবার এক জবানবন্দিতে আশিক উল আকবর নামক এক ব্যক্তি ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে গুম করে অমানবিক নির্যাতনের কথা বর্ণনা করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমানের ছেলে ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথী আকবর দাবি করেন, তৎকালীন হাসিনা সরকারের সময় তাকে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে যায় এবং পরে র্যাবের একটি গোপন সেলে (আয়নাঘর) দুই মাস আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।
ভুক্তভোগী জানান, তাকে ঝুলিয়ে মারধর এবং বৈদ্যুতিক শক দিয়ে জঙ্গি হিসেবে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়। টানা দুমাস চোখ ও হাত-পা বেঁধে রাখার কারণে তার চোখের রেটিনা ছিঁড়ে যায়। দুই মাস গুম থাকার পর ১৩ মাস তিনি জেলে কাটান, যার ফলে তার শিক্ষাজীবন তিন বছর পিছিয়ে যায়। তিনি শেখ হাসিনা ও ১২ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।
আশিক উল আকবর বলেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের ঘটনার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখি করতেন। ২০১৬ সালের ২৩ মে গাজীপুরে মামার বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি বিমান উঠানামার শব্দ শুনতে পেতেন। সেখানে তাকে একটি সেলে দুই মাস রাখা হয়, যেখানে তিনি ট্রেন চলাচলের শব্দও শুনতে পেতেন।
রিপোর্টারের নাম 





















