বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সরকার গঠন হলেও সেই গণভোটের রায় মানতে সরকার আপত্তি জানাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষা শিবিরে যোগ দিতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যার রেকর্ড বিভিন্ন গণমাধ্যমে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে কী রকম দ্বিচারিতা হলে একই বিষয়ে একেক রকম অবস্থান নেওয়া সম্ভব?’ তিনি আরও বলেন, যদি এই গণভোটকে অবৈধ বা অসাংবিধানিক বলা হয়, তবে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো গণভোটের রায় বাতিল হয়নি। গণভোটের ফলাফল অস্বীকার করা হলে জনগণের মতামত ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের অধিকার খর্ব করার জন্যই বিরোধীদলকে উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সরকারের দৃষ্টিতে জামায়াতকে ভোট দেওয়া জনগণ নাগরিক নন, তাই তাদের কোনো অধিকার নেই। শুধুমাত্র বিএনপির ভোটাররাই সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। এ কারণে বিএনপির এমপিদের এলাকায় একের পর এক প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা হলেও জামায়াতসহ ১১ দলের এমপিদের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করছে সরকার। তাদের প্রাপ্য সাধারণ বরাদ্দও কাটছাঁট করে তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ বরাদ্দের নামে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করার নেশায় মেতে উঠেছে সরকার।
সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনিয়মতান্ত্রিক কাজে ব্যাপক প্রতিযোগিতা চলছে, যার ফলে সরকারি দলে ব্যাপক অন্তঃকোন্দল দেখা দিয়েছে। এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনায়। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এই দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করেছে। কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, অর্থ গ্রহণ, দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির নগ্ন নোংরামিও দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সর্বস্তরে দলীয়করণ বর্তমান সরকারের অধীনে দেশের জন্য মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অন্তত ১১টি পদে…
রিপোর্টারের নাম 



















