ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিয়ের মাত্র পাঁচ মাস পরেই মুসলিমা আক্তার মুন্নি (১৯) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে পৌরসভার কলারণ গ্রামে স্বামীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের গলায় রশির দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে নিহতের পরিবার।
স্থানীয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী পৌরসভার আমগ্রামের মুরাদ শেখের মেয়ে মুসলিমা আক্তার মুন্নির সঙ্গে কলারণ গ্রামের সজল শেখের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের পহেলা রমজানে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক থাকলেও বুধবার রাতে হঠাৎ মুসলিমা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা লাশ হাসপাতালেই ফেলে রেখে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের বাবা মুরাদ শেখ অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে এখন আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে। ওর নাক ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের নাকে কালচে দাগ এবং গলায় রশির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























