নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এক ভুয়া দন্ত চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে লিয়ন মিয়া (১৪) নামের এক কিশোরের করুণ মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত লিয়ন স্থানীয় টেংগাপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার ছেলে এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত হাতুড়ে চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম হিরণ লিয়নের মাড়ির বাড়তি মাংস কেটে দেওয়ার পর থেকেই প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। লিয়নের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় জনতা অভিযুক্তের চেম্বারে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয়দের দাবি, হিরণ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই ভুয়া পদবি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম হিরণ অতীতে মাছের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি ছাড়াই দন্ত চিকিৎসার চেম্বার খুলে বসেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























