মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দল ও সরকারকে আলাদা রাখার কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ পৃথক রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, দল ও সরকারকে কোনোভাবেই এক করে দেখা যাবে না।

গণতন্ত্রের তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে রেললাইনের উপমা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকার চলবে সমান্তরালভাবে, অনেকটা রেললাইনের দুটি পাতের মতো। তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে ঠিকই, কিন্তু কখনোই একটি অন্যটির সীমানা অতিক্রম করবে না। এই ভারসাম্য বজায় রাখা না গেলে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দল ও রাষ্ট্রকে একাকার করে ফেলার যে নেতিবাচক সংস্কৃতি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চরম আকার ধারণ করেছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার এটি একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই নির্দেশনা প্রজাতন্ত্রের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের পর নির্বাচিত সরকারের এই অবস্থান দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ আখেরি চাহার সোম্বা, কী ঘটেছিল এই দিনে?

দল ও সরকারকে আলাদা রাখার কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ পৃথক রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, দল ও সরকারকে কোনোভাবেই এক করে দেখা যাবে না।

গণতন্ত্রের তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে রেললাইনের উপমা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকার চলবে সমান্তরালভাবে, অনেকটা রেললাইনের দুটি পাতের মতো। তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে ঠিকই, কিন্তু কখনোই একটি অন্যটির সীমানা অতিক্রম করবে না। এই ভারসাম্য বজায় রাখা না গেলে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দল ও রাষ্ট্রকে একাকার করে ফেলার যে নেতিবাচক সংস্কৃতি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চরম আকার ধারণ করেছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার এটি একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই নির্দেশনা প্রজাতন্ত্রের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের পর নির্বাচিত সরকারের এই অবস্থান দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।