মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা: বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সামনে বর্তমানে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলা করা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে ওঠা অলিগার্কদের প্রভাবমুক্ত হয়ে এই খাতে আমূল পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কৌশলগত অবকাঠামোগুলো যদি এখনও পূর্ববর্তী সরকারের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে তা বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

বিগত বছরগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং এলপিজি খাতের বেসরকারিকরণ সাধারণ মানুষের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনেনি; বরং দেশ বৈদেশিক ঋণের জালে জড়িয়েছে এবং জনগণের ওপর ভর্তুকি ও লোডশেডিংয়ের বোঝা চেপেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকারকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং বিগত আমলের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারকে এখন বিচ্ছিন্ন কোনো পরিকল্পনা না করে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে এলপি গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আনা এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে অপচয় ও চুরি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের সুযোগ করে দিয়ে একচেটিয়া আধিপত্য বা মনোপলি ভাঙতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই খাতে টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক আস্থা অর্জন সম্ভব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরেই ১০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি, এত খরচ কখনো করেনি বাংলাদেশ

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা: বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সামনে বর্তমানে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলা করা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে ওঠা অলিগার্কদের প্রভাবমুক্ত হয়ে এই খাতে আমূল পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কৌশলগত অবকাঠামোগুলো যদি এখনও পূর্ববর্তী সরকারের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে তা বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

বিগত বছরগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং এলপিজি খাতের বেসরকারিকরণ সাধারণ মানুষের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনেনি; বরং দেশ বৈদেশিক ঋণের জালে জড়িয়েছে এবং জনগণের ওপর ভর্তুকি ও লোডশেডিংয়ের বোঝা চেপেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকারকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং বিগত আমলের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারকে এখন বিচ্ছিন্ন কোনো পরিকল্পনা না করে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে এলপি গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আনা এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে অপচয় ও চুরি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের সুযোগ করে দিয়ে একচেটিয়া আধিপত্য বা মনোপলি ভাঙতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই খাতে টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক আস্থা অর্জন সম্ভব।