চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শেরপুর, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী ফলাফল বিপর্যয়ের গ্লানি সইতে না পেরে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী।
এই ট্র্যাজিক পরিস্থিতির জন্য দেশের বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ পরীক্ষা পদ্ধতিকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিনুর রশিদ মনে করেন, কয়েক বছরের পড়াশোনার মূল্যায়ন মাত্র কয়েক ঘণ্টার পরীক্ষার মাধ্যমে করার পদ্ধতিটি সেকেলে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এই চরম পথ বেছে নেওয়ার দায় সমাজ ও রাষ্ট্র এড়াতে পারে না। আমাদের উচিত লার্নিং আউটকাম ও স্কিল ডেভেলপমেন্টের ওপর ভিত্তি করে শ্রেণিকক্ষেই মূল্যায়নের বড় অংশ সম্পন্ন করা।’
বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলছেন, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়। বিশ্বের অনেক সফল ব্যক্তি শিক্ষা জীবনে ব্যর্থ হয়েও পরবর্তী সময়ে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর এবং অভিভাবকদের সন্তানদের পাশে থেকে মানসিক সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।
রিপোর্টারের নাম 























