মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ফুলছড়িতে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য

ময়মনসিংহের ফুলছড়ি উপজেলায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদরাসা থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের বরুকা গ্রামের শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে চলতি বছর ৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। অন্যদিকে, শ্রীপুর গ্রামের মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদরাসা থেকে ১১ জন দাখিল পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এই দুই প্রতিষ্ঠানেই কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হলেও, চারটি প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল খালেক আকন্দ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে না আসা এবং অভিভাবকদের উদাসীনতাকে এই ফলাফলের জন্য দায়ী করেছেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির কারণেও ফলাফলের এই বিপর্যয় ঘটেছে।

ফুলছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা জানিয়েছেন, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তেমন কোনো কার্যক্রম নেই এবং কাগজপত্রে শিক্ষার্থী দেখিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাহিদার তুলনায় নগণ্য বরাদ্দ! টিএসপি সারের সংকটে চরম হতাশায় ৫ জেলার আমন চাষিরা

ফুলছড়িতে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য

আপডেট সময় : ০৫:৩২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলছড়ি উপজেলায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদরাসা থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের বরুকা গ্রামের শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে চলতি বছর ৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। অন্যদিকে, শ্রীপুর গ্রামের মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদরাসা থেকে ১১ জন দাখিল পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এই দুই প্রতিষ্ঠানেই কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হলেও, চারটি প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল খালেক আকন্দ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে না আসা এবং অভিভাবকদের উদাসীনতাকে এই ফলাফলের জন্য দায়ী করেছেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির কারণেও ফলাফলের এই বিপর্যয় ঘটেছে।

ফুলছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা জানিয়েছেন, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তেমন কোনো কার্যক্রম নেই এবং কাগজপত্রে শিক্ষার্থী দেখিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।