কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসায় এক লজ্জাজনক ফলাফল অর্জিত হয়েছে। মাদরাসাটিতে ১৫ জন অভিজ্ঞ শিক্ষক কর্মরত থাকলেও ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেলের এই ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের এই মাদরাসাটি সরকারি এমপিওভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকদের চরম অবহেলা এবং দায়িত্বহীনতার কারণেই এমন বিপর্যয়কর ফলাফল হয়েছে। ১৫ জন শিক্ষক মিলে মাত্র ১০ জন ছাত্রীকে ন্যূনতম পাসের গণ্ডি পার করাতে না পারাটা বিস্ময়কর।
এ বিষয়ে মাদরাসার সুপার মো. আবুল খায়েরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। অন্যদিকে, নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইউনুস জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে মাদরাসা সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। পাসের হার শূন্য হওয়ার পেছনে শিক্ষকদের গাফিলতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
রিপোর্টারের নাম 
























