মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ: লাশ ফেলে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খাদিজা আক্তার মুন্নী (২০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মুন্নীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে। সোমবার রাতে উপজেলার কয়রাপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নী উপজেলার সেনারামপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে কয়রাপাড়া গ্রামের সোহাগ মিয়ার সঙ্গে মুন্নীর বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে মুন্নীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা।

ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহাগের চাচা মুন্নীর বাবার বাড়িতে ফোন করে জানান যে, মুন্নী অসুস্থ এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখেন, ঘরের মেঝেতে মুন্নীর নিথর দেহ পড়ে আছে এবং পরিবারের সবাই পলাতক। স্বজনদের দাবি, মুন্নীকে গলা টিপে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এসআই জসিম উদ্দিন জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে শিক্ষা বিপর্যয়: তিন প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি

নেত্রকোনায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ: লাশ ফেলে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খাদিজা আক্তার মুন্নী (২০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মুন্নীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে। সোমবার রাতে উপজেলার কয়রাপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নী উপজেলার সেনারামপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে কয়রাপাড়া গ্রামের সোহাগ মিয়ার সঙ্গে মুন্নীর বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে মুন্নীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা।

ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহাগের চাচা মুন্নীর বাবার বাড়িতে ফোন করে জানান যে, মুন্নী অসুস্থ এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখেন, ঘরের মেঝেতে মুন্নীর নিথর দেহ পড়ে আছে এবং পরিবারের সবাই পলাতক। স্বজনদের দাবি, মুন্নীকে গলা টিপে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এসআই জসিম উদ্দিন জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।