মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মোহনগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মুন্নী আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। মুন্নীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের কয়ড়াপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মুন্নী আক্তার ওই গ্রামের সোহাগ মিয়ার স্ত্রী এবং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামের ইদ্রিছ আলীর মেয়ে। তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হলেও এই দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, মরদেহের গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে, তবে শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের স্বজনদের দাবি, হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরদেহটি বিছানায় শুইয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতকদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাহিদার তুলনায় নগণ্য বরাদ্দ! টিএসপি সারের সংকটে চরম হতাশায় ৫ জেলার আমন চাষিরা

মোহনগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মুন্নী আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। মুন্নীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের কয়ড়াপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মুন্নী আক্তার ওই গ্রামের সোহাগ মিয়ার স্ত্রী এবং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামের ইদ্রিছ আলীর মেয়ে। তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হলেও এই দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, মরদেহের গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে, তবে শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের স্বজনদের দাবি, হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরদেহটি বিছানায় শুইয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতকদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে।