মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলা: ১৪ বছর পর ঘাতক জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে আলোচিত শাশুড়ি হাজেরা খাতুন হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ঘাতক জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০১২ সালের ৬ মার্চ চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আসামি আব্দুল কাদির তার শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে শাশুড়ি হাজেরা খাতুনকে দা দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। ওই বছরই নিহতের ছেলে মনির সরকার বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন এবং তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে বিচারক কাঁকন দে এই রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি কাদির মিয়া পলাতক ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, দীর্ঘ সময় পর হলেও এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করায় দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাহিদার তুলনায় নগণ্য বরাদ্দ! টিএসপি সারের সংকটে চরম হতাশায় ৫ জেলার আমন চাষিরা

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলা: ১৪ বছর পর ঘাতক জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে আলোচিত শাশুড়ি হাজেরা খাতুন হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ঘাতক জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০১২ সালের ৬ মার্চ চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আসামি আব্দুল কাদির তার শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে শাশুড়ি হাজেরা খাতুনকে দা দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। ওই বছরই নিহতের ছেলে মনির সরকার বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন এবং তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে বিচারক কাঁকন দে এই রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি কাদির মিয়া পলাতক ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, দীর্ঘ সময় পর হলেও এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করায় দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে।