মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে গুলি করে হত্যার প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর বাংলাদেশি যুবক তারা মিয়ার (১৯) লাশ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার বিকেলে উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পতাকা বৈঠক শেষে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করে। নিহত তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।
স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে তারা মিয়া, রেনু মিয়া (৩৬) ও সুমন মিয়া (১৮) পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগরের শিকরিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতের মাগুরউলী এলাকায় প্রবেশ করেন। তারা সিগারেট, নাসির বিড়িসহ চোরাইপণ্য আনতে সেখানে গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানিয়েছেন, দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ সোমবার বিকেলে তারা মিয়ার মরদেহ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতের মা আজিরুন্নেছা অভিযোগ করেছেন যে তার ছেলে চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল না এবং টাকার লোভে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে তার ছেলের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, নিহত হওয়ার ঘটনায় পতাকা বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























