২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল জানতে ভিড় করেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। নিজেদের এবং সন্তানদের ভালো ফলাফলে উচ্ছ্বসিত হয়ে শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের সঙ্গে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।
গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থীদের এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে, স্লোগান দিয়ে এবং দলবদ্ধভাবে উদযাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের আনন্দ প্রকাশ করে। এ সময় অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি তোলেন এবং কেউ কেউ ফেসবুকে লাইভও করেন। সকাল ১০টায় অনলাইনে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে ভিড় জমান। ড্রামের তালে তালে নাচ-গান, মিষ্টি বিতরণ এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
নিজের মেয়ের পরীক্ষার ফলাফল জানতে আসা অভিভাবক ইকবাল হোসেন বলেন, ‘বাসায় ইন্টারনেট ধীর গতির হওয়ায় আমরা সরাসরি কলেজে এসেছি। মেয়ের ফল সবার সঙ্গে একযোগে দেখার ইচ্ছা থেকেই এখানে ছুটে আসা।’ তবে, সব শিক্ষার্থী সমানভাবে সফল হয়নি। কেউ কেউ আশানুরূপ ফলাফল করতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েন। হলিক্রস স্কুলের শিক্ষার্থী ফারজানা ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় তার মা তনিমা খাতুন জানান, ফারজানা এই দুটি বিষয়ে ফেল করেছে। ফারজানা নিজেও জানায়, এ দুটি পরীক্ষা খারাপ হয়েছে, কিন্তু ফেল করার কথা সে ভাবতেই পারেনি।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ড্রামের তালে তালে নেচে-গেয়ে ভালো ফলাফলের সাফল্য উদযাপন করে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার এ বছর ৯৭.৯৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং ১,۱۱৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ২,১২৭ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে ২,০৭৩ জন কৃতকার্য হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















