চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের অভূতপূর্ব সাফল্যের বিপরীতে সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো ঐতিহ্যবাহী সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয় শিক্ষক সংকট ও লটারিভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, যার মধ্যে ৪১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫ জনই ফেল করেছে, পাসের হার মাত্র ৫০.৩৩ শতাংশ।
এই সরকারি বিদ্যালয়ের ফল বিপর্যয়ের পেছনে লটারিভিত্তিক ভর্তি ও শিক্ষক সংকটকে দায়ী করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সলিমুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে বিভিন্ন মানের শিক্ষার্থী এখানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে আসে না। অভিভাবক সমাবেশ করেও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি। এর সঙ্গে শিক্ষক সংকটও রয়েছে। লটারিভিত্তিক ভর্তি ও পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকাই এবারের ফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।’
তবে অভিভাবকদের মতে, শুধু লটারিভিত্তিক ভর্তি ও শিক্ষক সংকট দিয়ে ফল বিপর্যয়ের পূর্ণ ব্যাখ্যা হয় না। সারা বছরের পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং একাডেমিক তদারকিরও পর্যালোচনা প্রয়োজন। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন পাস করেছে এবং ফৌজদারহাট কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩৭ জন পাস করেছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকারি বিদ্যালয়ের এমন দুর্বল ফল অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 


















