চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এমন হতাশাজনক ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবিলম্বে সরকারিভাবে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। আটজন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টির পাসের হার শূন্য শতাংশ হওয়ায় পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করা হবে এবং ফলাফল সংক্রান্ত বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হবে।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার চকনোদবাটি ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা থেকেও এবার কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেনি। ১৯ জন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি বলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শেখ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮টি বিদ্যালয় থেকে একজনও পাস করতে না পারার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রংপুরের পীরগঞ্জের কুমারপুর ও ঘাসিপুর হাইস্কুল, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের কাজীপাড়া ও পলাশবাড়ীর মনোহরপুর গার্লস স্কুল, নীলফামারীর ডোমার আমবাড়ী বহুমুখী গার্লস স্কুল, কুড়িগ্রামের রাজারহাটের তালতলা হাইস্কুল, মাধবপুর গার্লস স্কুল এবং তাজবাড়িগঞ্জ হাই স্কুল অন্যতম। পঞ্চগড়ের বোদার বলরামহাট গার্লস স্কুল ও সরদারপাড়া গার্লস স্কুলও এই তালিকায় রয়েছে। এই শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 



















