মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজে খেলার মাঠ নেই, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ছাত্রীরা

জহিরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
মাত্র ১৪ শতক জায়গায় এইচএসসি ও ডিগ্রি মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী নিয়ে চলছে সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ বা শিক্ষার্থীদের বসার মতো খোলা জায়গার অভাব প্রকট। জায়গার সংকটে উন্নয়নকাজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রায় অর্ধকোটি টাকাও কাজে লাগানো যায়নি।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কলেজসংলগ্ন পুকুরের ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ, সড়কের ডাস্টবিন ও স্তূপ এবং শিক্ষক সংকট। ফলে সরকারি কলেজ হয়েও ন্যূনতম শিক্ষা-পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রাশেদ মোহাম্মদ ইকবাল জানান, মাত্র ১৪ শতক জায়গায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে প্রতিদিনই সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জায়গা না থাকায় নতুন ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। পাঁচজনের বসার জন্য তৈরি টেবিলে সাত-আটজন ছাত্রীকে বসিয়ে ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে পড়াশোনা ও পাঠদান—দুটিই ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজে কোনো খেলার মাঠ নেই। পর্যাপ্ত খোলা জায়গা না থাকায় ক্লাসের ফাঁকে শিক্ষার্থীদের হাঁটা, বসা কিংবা বিশ্রামেরও সুযোগ নেই। পাশেই সীতাকুণ্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার ছাত্রী থাকলেও তাদের জন্য নেই একটি মাঠও। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, কলেজ ও বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা, ডাস্টবিন এবং পুকুরের আবর্জনার দুর্গন্ধে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কলেজসংলগ্ন বিশাল পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। অধ্যক্ষ প্রফেসর রাশেদ মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, পুকুরের দুর্গন্ধে আমরা নিজেরাই অফিসে বসতে পারি না। শিক্ষার্থীদেরও অনেক কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়। পুরো পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। পুকুর পরিষ্কারের বিষয়টি জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফল বিক্রেতার মোবাইল ফোন নিয়ে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়লেন এসআই, বিপাকে পুলিশ

সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজে খেলার মাঠ নেই, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ছাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

জহিরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
মাত্র ১৪ শতক জায়গায় এইচএসসি ও ডিগ্রি মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী নিয়ে চলছে সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ বা শিক্ষার্থীদের বসার মতো খোলা জায়গার অভাব প্রকট। জায়গার সংকটে উন্নয়নকাজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রায় অর্ধকোটি টাকাও কাজে লাগানো যায়নি।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কলেজসংলগ্ন পুকুরের ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ, সড়কের ডাস্টবিন ও স্তূপ এবং শিক্ষক সংকট। ফলে সরকারি কলেজ হয়েও ন্যূনতম শিক্ষা-পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রাশেদ মোহাম্মদ ইকবাল জানান, মাত্র ১৪ শতক জায়গায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে প্রতিদিনই সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জায়গা না থাকায় নতুন ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। পাঁচজনের বসার জন্য তৈরি টেবিলে সাত-আটজন ছাত্রীকে বসিয়ে ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে পড়াশোনা ও পাঠদান—দুটিই ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজে কোনো খেলার মাঠ নেই। পর্যাপ্ত খোলা জায়গা না থাকায় ক্লাসের ফাঁকে শিক্ষার্থীদের হাঁটা, বসা কিংবা বিশ্রামেরও সুযোগ নেই। পাশেই সীতাকুণ্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার ছাত্রী থাকলেও তাদের জন্য নেই একটি মাঠও। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, কলেজ ও বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা, ডাস্টবিন এবং পুকুরের আবর্জনার দুর্গন্ধে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কলেজসংলগ্ন বিশাল পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। অধ্যক্ষ প্রফেসর রাশেদ মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, পুকুরের দুর্গন্ধে আমরা নিজেরাই অফিসে বসতে পারি না। শিক্ষার্থীদেরও অনেক কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়। পুরো পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। পুকুর পরিষ্কারের বিষয়টি জরুরি।