মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

ভাতা দেওয়ার নামে ঘুষ: লক্ষ্মীপুরে বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সরকারি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন—দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ হোসেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর হাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেন।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এই দুই নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, ‘সরকার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভাতা দিচ্ছে। হারুন ও ইউসুফের ওয়ার্ডে একটি মসজিদ রয়েছে। ওই মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে তারা প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। ঘটনাটি জানার পর আমি এবং আমার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’ তিনি আরও জানান, উপজেলা নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিটি শিক্ষার্থীর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ভাতা দেওয়ার নামে ঘুষ: লক্ষ্মীপুরে বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার

আপডেট সময় : ১২:৩৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সরকারি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন—দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ হোসেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর হাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেন।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এই দুই নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, ‘সরকার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভাতা দিচ্ছে। হারুন ও ইউসুফের ওয়ার্ডে একটি মসজিদ রয়েছে। ওই মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে তারা প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। ঘটনাটি জানার পর আমি এবং আমার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’ তিনি আরও জানান, উপজেলা নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।