মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

পুত্রের ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে রোনালদোর পর্যবেক্ষণ: শারীরিক সক্ষমতার চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ‘মানসিক ক্ষুধা’

ফুটবল বিশ্বের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মনে করেন, তার বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের জন্য পেশাদার ফুটবলের চূড়ায় পৌঁছানোর পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হতে পারে মানসিক একাগ্রতা বা জয়ের অদম্য ‘ক্ষুধা’ বজায় রাখা। বর্তমানে সৌদি আরবের আল-নাসর ক্লাবের একাডেমিতে নিজেকে তৈরি করা ১৬ বছর বয়সী এই কিশোরকে নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন খোলামেলা মন্তব্য করেন সিআর সেভেন।

রোনালদো জানান, তার ছেলের বর্তমান শারীরিক গঠন একই বয়সে তার নিজের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ওর বয়সে ছিলাম, তখন অনেক রোগা ছিলাম। আমার ধারণা সে শারীরিকভাবে আমার চেয়েও বড় অ্যাথলেট হবে।’ তবে রোনালদোর মতে, আধুনিক ফুটবলে শুধু শারীরিক সামর্থ্যই যথেষ্ট নয়; বরং বছরের পর বছর ধরে একই ধরনের পরিশ্রম ও জয়ের আকাঙ্ক্ষা ধরে রাখাই হলো আসল পরীক্ষা।

ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র ইতোমধ্যে জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং আল-নাসরের মতো বড় ক্লাবের যুব দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলেও সে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। তবে বাবার বিশাল খ্যাতির চাপ সামলে সে কতদূর যেতে পারবে, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে সব সময়ই কৌতূহল রয়েছে।

রোনালদোর নিজের ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে কঠোর শৃঙ্খলা ও হার না মানা মানসিকতার ওপর ভিত্তি করে। পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জনের মালিক এই ফুটবলার মনে করেন, সুযোগ-সুবিধার প্রাচুর্যের মধ্যে বড় হওয়া সন্তানদের জন্য সেই একই ধরনের লড়াই করার মানসিকতা তৈরি করা বেশ কঠিন। ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের ভবিষ্যৎ সাফল্য এখন তার ভেতরের তাড়নার ওপরই নির্ভর করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের

পুত্রের ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে রোনালদোর পর্যবেক্ষণ: শারীরিক সক্ষমতার চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ‘মানসিক ক্ষুধা’

আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ফুটবল বিশ্বের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মনে করেন, তার বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের জন্য পেশাদার ফুটবলের চূড়ায় পৌঁছানোর পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হতে পারে মানসিক একাগ্রতা বা জয়ের অদম্য ‘ক্ষুধা’ বজায় রাখা। বর্তমানে সৌদি আরবের আল-নাসর ক্লাবের একাডেমিতে নিজেকে তৈরি করা ১৬ বছর বয়সী এই কিশোরকে নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন খোলামেলা মন্তব্য করেন সিআর সেভেন।

রোনালদো জানান, তার ছেলের বর্তমান শারীরিক গঠন একই বয়সে তার নিজের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ওর বয়সে ছিলাম, তখন অনেক রোগা ছিলাম। আমার ধারণা সে শারীরিকভাবে আমার চেয়েও বড় অ্যাথলেট হবে।’ তবে রোনালদোর মতে, আধুনিক ফুটবলে শুধু শারীরিক সামর্থ্যই যথেষ্ট নয়; বরং বছরের পর বছর ধরে একই ধরনের পরিশ্রম ও জয়ের আকাঙ্ক্ষা ধরে রাখাই হলো আসল পরীক্ষা।

ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র ইতোমধ্যে জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং আল-নাসরের মতো বড় ক্লাবের যুব দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলেও সে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। তবে বাবার বিশাল খ্যাতির চাপ সামলে সে কতদূর যেতে পারবে, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে সব সময়ই কৌতূহল রয়েছে।

রোনালদোর নিজের ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে কঠোর শৃঙ্খলা ও হার না মানা মানসিকতার ওপর ভিত্তি করে। পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জনের মালিক এই ফুটবলার মনে করেন, সুযোগ-সুবিধার প্রাচুর্যের মধ্যে বড় হওয়া সন্তানদের জন্য সেই একই ধরনের লড়াই করার মানসিকতা তৈরি করা বেশ কঠিন। ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের ভবিষ্যৎ সাফল্য এখন তার ভেতরের তাড়নার ওপরই নির্ভর করছে।