মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

ডিজিএফআইয়ের ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শন করলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরে অবস্থিত কুখ্যাত ‘আয়না ঘর’ হিসেবে পরিচিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন দল।

তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এছাড়া চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিমের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আদালতের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও এই পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া বিচারিক প্রক্রিয়াকে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারের আমলেও অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিগত সরকারের মেয়াদে গুম হওয়া ব্যক্তিদের অবস্থান এবং সেখানে পরিচালিত নির্যাতনের লোমহর্ষক তথ্যাদি সরেজমিন যাচাই করতেই এই পরিদর্শন। ট্রাইব্যুনালের এই তৎপরতা গুমের শিকার পরিবারগুলোর মধ্যে ন্যায়বিচারের আশা জাগিয়ে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আঞ্চলিক ঐক্য ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্বারোপ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডিজিএফআইয়ের ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শন করলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা

আপডেট সময় : ১২:২১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরে অবস্থিত কুখ্যাত ‘আয়না ঘর’ হিসেবে পরিচিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন দল।

তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এছাড়া চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিমের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আদালতের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও এই পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া বিচারিক প্রক্রিয়াকে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারের আমলেও অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিগত সরকারের মেয়াদে গুম হওয়া ব্যক্তিদের অবস্থান এবং সেখানে পরিচালিত নির্যাতনের লোমহর্ষক তথ্যাদি সরেজমিন যাচাই করতেই এই পরিদর্শন। ট্রাইব্যুনালের এই তৎপরতা গুমের শিকার পরিবারগুলোর মধ্যে ন্যায়বিচারের আশা জাগিয়ে তুলেছে।