প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতি নির্মূলে পারিবারিক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা-ভিত্তিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ২০২৬ সালের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের মানবিক ও বস্তুগত উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি এই সময়োপযোগী আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর মতে, কেবল সনদধারী শিক্ষিত গোষ্ঠী নয়, বরং সৎ ও নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এমন এক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর এই দিকনির্দেশনা এলো, যখন বিগত সরকারের আমল থেকে চলে আসা সহিংস সামাজিক অপরাধ, চাঁদাবাজি, মাদকাসক্তি এবং নৈতিক অবক্ষয় সমাজকে গ্রাস করছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দেশে উচ্চশিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটলেও নৈতিক শিক্ষার অভাবে দুর্নীতি ও সামাজিক অস্থিরতা কমছে না। বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৭০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মূল্যবোধহীন জ্ঞান সমাজের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। একজন উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী যখন নৈতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হন, তখন তা পুরো জাতির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন প্রজন্মের মধ্যে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা জাগ্রত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমান সরকার মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর।
রিপোর্টারের নাম 






















